বাড়ি > কর্মখালি > খরচ কমাতে নতুন নিয়োগ সংক্রান্ত জোড়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল নবান্ন
খরচ সামলাতে এবার আয় বুঝে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন৷
খরচ সামলাতে এবার আয় বুঝে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন৷

খরচ কমাতে নতুন নিয়োগ সংক্রান্ত জোড়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল নবান্ন

  • এবার আয় বুঝে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন৷ খরচ কমাতে এবার নতুন নিয়োগ সংক্রান্ত জোড়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল রাজ্য অর্থ দফতর৷

আমফান, করোনা জর্জরিত বাংলা। সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে রাজ্য সরকার। পরের বছর আবার নির্বাচন। সব মিলিয়ে তাই এবার আয় বুঝে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন৷ খরচ কমাতে গিয়ে এবার নতুন নিয়োগ সংক্রান্ত জোড়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল রাজ্য অর্থ দফতর৷

এ বছরের ২ এপ্রিল রাজ্য সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি 1491-F(Y) জারি করা হয়৷ করোনা পরিস্থিতিতে উদ্ভূত সংকটের মোকাবিলায় রাজ্য সরকারকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে৷ এই অবস্থায় বেশকিছু সিদ্ধান্তের কথাও জানানো হয়৷ মেমোরেন্ডামের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতিতে নতুন করে কোনও নিয়োগ করা হবে না৷ অর্থ দফতরের অনুমতি ছাড়া কোনও ভাবেই নিয়োগ করা যাবে না৷ গত ৩০ জুন পর্যন্ত এই নির্দেশের মেয়াদ কার্যকর ছিল৷ এবার নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে নিয়োগের ওপর আগের বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও বাড়ানো হয়েছে৷

গত ২৯ জুলাই রাজ্য অর্থ দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি 2069-F(Y) জারি করে বলা হয়, গত ২ এপ্রিল যে বিজ্ঞপ্তি 1491-F(Y) [http://www.wbfin.nic.in/writereaddata/1491-F(Y).pdf] জারি করা হয়েছিল, তার মেয়াদ আরও বাড়ানো হচ্ছে৷ ২৯ জুলাই নতুন বিজ্ঞপ্তি 2069-F(Y) [http://www.wbfin.nic.in/writereaddata/2069-F(Y).pdf] দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়, 1491-F(Y) নম্বরের এই বিজ্ঞপ্তিটি আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অথবা পরিবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে৷ ততদিন পর্যন্ত অর্থ দফতরের অনুমতি না নিয়ে কোনও নিয়োগ করা যাবে না৷ যা আগে ছিল ৩০ জুন পর্যন্ত৷

নবান্নের এই বিজ্ঞপ্তি চাকরিপ্রর্থীদের কাছে বড়সড় ধাক্কা। সেই সঙ্গে বেশ কিছু প্রশ্নও উঠে এসেছে। ৩০ সেপ্টেম্বর বা তার পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত তাহলে রাজ্য সরকারি দফতরে কোনও নিয়োগ হবে না? করোনা পর্বের আগে চলা নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে গেলেও কি অর্থ দফতরের অনুমতি নিতে হবে? তাহলে গোটা প্রক্রিয়া আরও জটিল হবে না তো? ২১ জুলাই দলীয় ভার্চুয়াল সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য জানান, বাংলার মা-মাটি-মানুষের সরকার ১ কোটি ৩৬ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি করে দিয়েছে৷ তাঁর ইচ্ছে ছিল, এবার সমস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করে ফেলার৷ কিন্তু, করোনার কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না৷ তবে, আগামী দিনে নতুন নীতি নির্ধারণ করে বাংলার চাকরিপ্রার্থীদের দিকটি তিনি দেখবেন৷

তবে, এখানেই শেষ নয়, মুখ্যমন্ত্রী চলতি সপ্তাহে বিশ্ব যুব দিবসে টুইটারে লেখেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার যুব সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ৷ সরকার কর্মসাথী নামের একটি নতুন প্রকল্প চালু করেছে৷ এই প্রকল্পে এক লক্ষ বেকার যুবক যুবতীকে সাবলম্বী করে তুলতে স্বল্পসুদে ঋণ ও ভরতুকি দিচ্ছে৷ ভারতে বেকারত্বের হার সর্বকালীন সর্বাধিক ২৪% এসে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার ৪০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে৷

বন্ধ করুন