বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ > পুরভোটের লড়াই > জয়ীদের আদৌও ধরে রাখা যাবে তো! উদ্বিগ্ন বিজেপি নেতৃত্ব, বিশেষ নজরদারির নির্দেশ
জয়ীদের আদৌও ধরে রাখা যাবে তো! উদ্বিগ্ন বিজেপি নেতৃত্ব, বিশেষ নজরদারির নির্দেশ। প্রতীকী ছবি (HT_PRINT)

জয়ীদের আদৌও ধরে রাখা যাবে তো! উদ্বিগ্ন বিজেপি নেতৃত্ব, বিশেষ নজরদারির নির্দেশ

  • দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘বিজেপি সব সময় জয়ী প্রার্থীদের পাশে থেকে তাদের সহায়তা করবে।’

পুরভোটে সর্বত্রই সবুজ ঝড়। সবুজ শুনিতে কার্যত খড়কুটোর মতো ভেসে গিয়েছে বিরোধীরা। একটাও পুরসভা নিজেদের দখলে করতে পারিনি বিজেপি। তবে অনেক কষ্টে মাত্র ৬৩ জন বিজেপি প্রার্থী পুরভোটের লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন। পুরভোটের ফল প্রকাশ হতেই দেখা গিয়েছে অনেক বিরোধী প্রার্থী ভোটে জিতে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এটাই এখন চিন্তা বাড়াচ্ছে বিজেপির। যে ৬৩ জন জয়ী হয়েছেন তাদের আদৌও বিজেপিতে ধরে রাখা যাবে কিনা তার নিয়ে উদ্বিগ্ন বিজেপি নেতৃত্ব।

বিধানসভা নির্বাচনের পরে বিজেপিতে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ৭৫ জন বিজেপি বিধায়ক হয়েছিলেন। পরে ৫ জন বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দেন। ফলে এখন খাতায়-কলমে ৭০ জন বিধায়ক রয়েছে বিজেপির। তবে পুরসভার ক্ষেত্রে দলবদলের সম্ভাবনা যে প্রবল রয়েছে তা মুখে অস্বীকার করলেও অবশ্য এড়িয়ে যাচ্ছে না বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কারণে জেলা স্তরে প্রতিটি বিজেপি প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘বিজেপি সব সময় জয়ী প্রার্থীদের পাশে থেকে তাদের সহায়তা করবে। ইতিমধ্যেই জেলা নেতৃত্বকে তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া, তৃণমূলের চাপ এবং সন্ত্রাসের ভয় রয়েছে। তার জন্য প্রার্থীরা কোনওভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন কিনা সে বিষয়ে জেলা নেতৃত্বকে নজরদারি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, ১০৮ টি পুরসভার ২২৭৪ টি ওয়ার্ডের মধ্যে তৃণমূলের দখলে এসেছে ১,৯৭৬ টি ওয়ার্ড। নির্দল প্রার্থীরা ১১৯ টি ওয়ার্ড দখল করেছে। বিজেপি জিতেছে ৬৩ টি ওয়ার্ডে এবং কংগ্রেস ও বাম যথাক্রমে ৫৯ এবং ৫৬ টি ওয়ার্ডে জিতেছে। অর্থাৎ পুরভোটের ফলাফলের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বিজেপি। সে ক্ষেত্রে যদি বিজেপি ছেড়ে বেশ কয়েকজন শাসক দলে যোগদান করে তাহলে সে ক্ষেত্রে তৃতীয় স্থান ধরে রাখা সম্ভব হবে না বিজেপির পক্ষে।

বন্ধ করুন