বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ > পুরভোটের লড়াই > এই হারের জন্য কে পদত্যাগ করবেন, অসহায় মজুমদার, না ভার্চুয়াল চক্রবর্তী? জয়প্রকাশ
জয়প্রকাশ মজুমদার।

এই হারের জন্য কে পদত্যাগ করবেন, অসহায় মজুমদার, না ভার্চুয়াল চক্রবর্তী? জয়প্রকাশ

  • জয়প্রকাশবাবু বলেন, বিধাননগরের দায়িত্ব ছিল চাকদার বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষের ওপর। তিনি পঞ্চায়েত এলাকার মানুষ। বিধাননগরের কিছুই চেনেন না।

চার পুরনিগমের নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবির পর দলের নেতৃত্বকে তুলোধোনা করলেন বহিষ্কৃত নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। এদিন নির্বাচনী রণকৌশল তৈরিতে দলের বর্তমান নেতৃত্বের বিচক্ষণতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, এই ফলের দায় নিয়ে বিজেপিতে কি কেউ পদত্যাগ করবেন?

এদিন জয়প্রকাশবাবু প্রথমে নিশানা সাধেন অর্জুন সিংকে। বলেন, বারাকপুরের নেতাকে প্রথমে ভবানীপুর উপনির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হল। সেখানে তিনি রেকর্ড ভোটে হারালেন। এর পর কলকাতা পুরসভার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেখানে ৭ থেকে কমে বিজেপি ৩ হয়ে গেল। তার পরও তাঁকে বিধাননগর পুরভোটের দায়িত্ব দিল দল। কিন্তু বিধাননগরে তাঁকে দেখা যায়নি। কারণ তিনি আত্মীয় স্বজনকে তৃণমূলে পাঠিয়ে নিজের রাস্তা পরিষ্কার করছিলেন।

জয়প্রকাশবাবু বলেন, বিধাননগরের দায়িত্ব ছিল চাকদার বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষের ওপর। তিনি পঞ্চায়েত এলাকার মানুষ। বিধাননগরের কিছুই চেনেন না। তবু এলাকায় পড়েছিলেন। অথচ সায়ন্তন বসুর মতো বিধাননগরের বাসিন্দা এমন নেতাকে সেখানকার দায়িত্ব দেওয়া হল না। এই যে বিজেপি নেতৃত্ব এরা ভোটের রণকৌশলই বোঝে না।

এদিন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে অসহায় মজুমদার বলে কটাক্ষ করেন জয়প্রকাশবাবু। বলেন, এই ফলের জেরে কে পদত্যাগ করবেন? অসহায় মজুমদার, ভার্চুয়াল চক্রবর্তী না টুইটার মালব্য? জয়প্রকাশবাবু বলেন, আমি বিজেপি দলটাকে হাতের তালুর থেকেও বেশি চিনি। আমি জীবনের ৮ বছর এই দলটাকে দিয়েছি। সেই অধিকার থেকে দলের সাধারণ কর্মীদের স্বার্থে কথাগুলো বলছি।

 

বন্ধ করুন