বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ > পুরভোটের লড়াই > পুরভোটের আগে কিছুটা স্বস্তি BJP-র, বুথে এজেন্ট বসানো নিয়ে নয়া নির্দেশিকা কমিশনের
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতর। 

পুরভোটের আগে কিছুটা স্বস্তি BJP-র, বুথে এজেন্ট বসানো নিয়ে নয়া নির্দেশিকা কমিশনের

  • বিগত দিনের নির্বাচনগুলিতে সব বুথে পোলিং এজেন্ট বসাতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল গেরুয়া শিবিরকে।

বুথে এজেন্ট বসানো নিয়ে কিছুটা স্বস্তি পেল বিজেপি। রাজ্য নির্বাচন কমিশন সোমবার জানিয়ে দিল যে এবার থেকে এক ভোটকেন্দ্রের ভোটার হলেই বসা যাবে বুথে। এর আগে গতবছর নভেম্বরে কোভিডের কারণে কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল যে বুথের ভোটারই বুথে বসতে পারবেন। সেই নির্দেশিকার বিরোধিতায় সরব হয়েছিল বিজেপি। কলকাতা পুরভোটে বুথে পোলিং এজেন্ট বসাতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল গেরুয়া শিবিরকে। এই পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল হল।

পুরভোটের প্রাক্কালে গত ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সর্বদল বৈঠকে বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছিল যাতে পুরভোটে এজেন্ট বসানোর বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। বিজেপির দাবি ছিল, ওয়ার্ডের যেকোনও ভোটারকে যাতে বুথে বুথে এজেন্ট হিসেবে বসানো যায়। বৈঠকের সেই দাবির প্রেক্ষিতে কিছুটা শিথিল করা হল বিধিনিষেধ। কমিশন জানিয়ে দিল, যেসব ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে একের বেশি বুথ আছে, সেখানে এজেন্ট ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের হলেই হবে।

এর আগে বিগত দিনের নির্বাচনগুলিতে দেখা গিয়েছে, বিজেপি সব বুথে এজেন্টই দিতে পারেনি। এই আবহে শাসকদল তৃণমূলের কটাক্ষেরও শিকার হতে হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। সাংগঠনিক দুর্বলতা ঢাকতে তাই বিজেপির আর্জি ছিল যাতে এজেন্ট বসানো নিয়ে এত কড়াকড়ি না থাকে। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারিই রয়েছে ১০৮ পুরসভার ভোট। তার আগে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগর ও চন্দননগরের পুরনিগমে ভোট হবে। সেই সব নির্বাচনগুলিতে এজেন্ট বসানো নিয়ে এই পরিবর্তিত নিয়ম জারি থাকবে। নয়া নির্দেশিকা জেলা পৌর নির্বাচন আধিকারিক এবং জেলাশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব রাজনৈতিক দলগুলির সাধারণ সম্পাদক বা সভাপতিজের কাছেও এই নির্দেশিকার প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে কমিশনের তরফে।

বন্ধ করুন