বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ > পুরভোটের লড়াই > উত্তরবঙ্গেও কেন শোচনীয় পরাজয়? ভরাডুবি নিয়ে কী রিপোর্ট তৈরি করছেন BJP বিধায়করা?
কেন উত্তরবঙ্গেও শোচনীয় পরাজয়ের মুখে পড়ল বিজেপি? (HT Photo) (HT_PRINT)

উত্তরবঙ্গেও কেন শোচনীয় পরাজয়? ভরাডুবি নিয়ে কী রিপোর্ট তৈরি করছেন BJP বিধায়করা?

  • হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে জানালেন তুফানগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক মালতী রাভা রায় ও ফালাকাটার বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মন।

দক্ষিণবঙ্গ যে হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে এটা একরকম ধরেই নিয়েছিল গেরুয়া শিবির। কিন্তু উত্তরবঙ্গে অন্তত কিছুটা হলেও ভালো ফলের আশা করেছিলেন গেরুয়া শিবির। কিন্তু সেখানেও ভরাডুবি? কেন এই ফলাফল? কী ভাবছেন উত্তরের বিজেপি বিধায়করা? দিন কয়েকের মধ্যেই দলের রাজ্যস্তরের বৈঠক হবে। সেখানে ফলাফল নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষন হবে। তার আগে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে জানালেন তুফানগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক মালতী রাভা রায় ও ফালাকাটার বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মন। তবে পাহাড় নিয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না কেউই। 

বুধবার রাত শালবাড়ি ১ এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর হয়েছে। সেখানেই গিয়েছিলেন মালতী রাভা রায়। তাঁর অভিযোগ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার কার্ড কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে ছবি মিলিয়ে দেখেননি ভোটকর্মীরা। একাধিক ক্ষেত্রে ৭০ বছরের বৃদ্ধের ভোট ২২ বছরের যুবক দিয়ে দিয়েছে। আমাদের এজেন্টদের বের করে দিয়েছিল। ভোটের আগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তৃণমূল বলে এসেছিল রাস্তায় বের হলে ঘরের সামনে আবর্জনা ফেলে আসব। বিজেপিকে ভোট দিলে এলাকায় নর্দমা পরিষ্কার হবে না। জলের লাইন কেটে দেওয়া হবে। আর সেই ভয়টাই ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে আমরা ভোট প্রচারে নামতে কিছুটা দেরি করেছি এটা মানছি। তবে সন্ত্রাস না থাকলে আমাদের ফলাফল এমন হত না। রাজ্যের মিটিং আছে। সবটা জানাব সেখানে। 

অন্যদিকে ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মনের বিস্ফোরক অভিযোগ, ইভিএমে ভয়াবহ কারচুপি হয়েছিল। ২ ঘণ্টা সিসি ক্যামেরা বন্ধ রেখে অপারেশন চালিয়েছে তৃণমূল। যে বাসে করে ইভিএম নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেখানেও মাঝরাস্তায় লোকজন উঠেছিল। আমরা আটকাতে পারিনি। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। তবে তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন, বিধানসভা ভোটে যেভাবে কর্মীরা একেবারে মাটি কামড়ে লড়াই করেছিলেন, এক্ষেত্রে সেরকমভাবে না থাকলেও কর্মীদের উপস্থিতি ছিল। কিন্তু সারাবছর মানুষের পাশে না থাকা, সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রসঙ্গে দুই বিধায়কের দাবি, সারা বছরই মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করা হয়। তবে ভয় দেখিয়ে কর্মীদের ভোটের কাজে নামতে দেওয়া হয়নি। এটা বুঝতে হবে।

 

বন্ধ করুন