বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ ২০২১ > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > 'সর্বদা নিজের বাড়ির মতো মনে হয়েছে', বাংলায় ভোটপ্রচারে আসতে পারেন গম্ভীর
গৌতম গম্ভীর। (ফাইল ছবি, সৌজন্য ইনস্টাগ্রাম)
গৌতম গম্ভীর। (ফাইল ছবি, সৌজন্য ইনস্টাগ্রাম)

'সর্বদা নিজের বাড়ির মতো মনে হয়েছে', বাংলায় ভোটপ্রচারে আসতে পারেন গম্ভীর

  • গম্ভীর জানান, তাঁকে একবারও বোঝানো হয়নি যে প্রেসিডেন্সি কলেজ বা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেননি বা পার্ক স্ট্রিটে এগরোল খাননি।

এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোট প্রচারে আসতে পারেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর। তার আগেই অবশ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘বহিরাগত’ আক্রমণের প্রেক্ষিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) প্রাক্তন অধিনায়ক জানালেন, বাংলাকে বরাবর নিজের বাড়ির মতোই মনে হয়েছে।

পূর্ব দিল্লির বিজেপি সাংসদের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে, আগামী ২২ মার্চ থেকে বাংলায় প্রচার শুরু করতে পারেন গম্ভীর। আট দফাতেই বিজেপি প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করবেন। পাশাপাশি অসমের তিন দফায় বিধানসভা নির্বাচনেও দলের প্রচার সারবেন। সেক্ষেত্রে দিল্লির বাইরে এই প্রথম বিজেপির হয়ে পুরোদস্তুর প্রচারে নামবেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার। যিনি গত বছর হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে প্রাক্তন ভারতীয় হকি খেলোয়াড় সন্দীপ সিংয়ের হয়ে প্রচার করেছিলেন। 

তবে প্রচার শুরুর আগেই বাংলার রাজনীতির চর্চিত ‘বহিরাগত’ তত্ত্বে দুঃখপ্রকাশ করেছেন গম্ভীর। জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ‘বহিরাগত’ বলে আক্রমণ করায় তিনি অত্যন্ত ‘দুঃখিত এবং হতাশ’ হয়েছেন। প্রাক্তন কেকেআর অধিনায়কের কথায়, ‘এক মুহূর্তেরও জন্য আমায় বোঝানো হয়নি যে আমি বহিরাগত এবং আমি কলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গের অন্য কোথাও জন্মায়নি বা বড় হয়নি, প্রেসিডেন্সি কলেজ বা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করিনি বা পার্ক স্ট্রিটে এগরোল খাইনি।’ কেকেআরকে দু'বার আইপিএল জেতানো গম্ভীর বলেন, ‘আমি নিজেকে বিশাল এবং সুখী পরিবারের অংশ হিসেবে মনে করেছি। আমি যখনই বাংলা গিয়েছি, তখন অনেক ভালোবাসা ও আশীর্বাদ পেয়েছি।’

বিজেপির দলীয় লাইন ধরে বাংলার ‘হিংসা’ নিয়েও সরব হয়েছেন গম্ভীর। সেজন্য বামফ্রন্ট এবং তৃণমূলকে বিঁধেছেন তিনি। পুরোদস্তুর রাজনীতিবিদ গম্ভীর বলেন, ‘দশকের পর দশক ধরে ভয় দেখানো, হুমকি এবং হিংসাকে নিউ নর্ম্যালে পরিণত করেছে বাম এবং তৃণমূল কংগ্রেস। আর এখন তা বাংলার রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠেছে।’ একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে যে কোনও কাজ করতে পারে বাংলার শাসক দল। তাই বাংলার মানুষকে ঠিক করতে হবে যে তাঁরা ‘সিন্ডিকেট’-এর বাংলা নাকি ‘সোনার বাংলা’ চান।

বন্ধ করুন