বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ ২০২১ > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > এবার দেগঙ্গায় গুলি চালানোর অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে, অভিযোগ ওড়াল কমিশন
এবার দেগঙ্গায় গুলি চালানোর অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে, হল ‘লাঠিচার্জ’। (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
এবার দেগঙ্গায় গুলি চালানোর অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে, হল ‘লাঠিচার্জ’। (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)

এবার দেগঙ্গায় গুলি চালানোর অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে, অভিযোগ ওড়াল কমিশন

  • গুলি চালানোর অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

শীতলকুচির পর দেগঙ্গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, শনিবার ভোটগ্রহণ পর্বের মধ্যেই মাটি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। লাঠিচার্জেরও অভিযোগ উঠেছে। যদিও গুলি চালানোর অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

স্থানীয়দের দাবি, চাকলা পঞ্চায়েতের ২১৫ নম্বর বুথ কুড়ুলগাছা গ্রামের মাঠে পাঁচ-ছ'জন বসেছিলেন। সেই সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা আসেন। তাঁরা মাটি লক্ষ্য করে গুলি চালান বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। নিজেকে স্থানীয় হিসেবে পরিচয় দেওয়া মহম্মদ জবিউল্লা মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি বলেন, 'সাত-আটজন বিএসএফ-কেন্দ্রীয় বাহিনী নামল। এখানে আমাদের দু'জন শুয়েছিল। ওরা তাড়া করল সবাইকে। দিয়ে এখানে এসকে ফায়ার করল। দিয়ে আমাদের কয়েকজনকে ধানখেত পর্যন্ত তাড়া করে নিয়ে গেল। কী কারণে ফায়ার করল, সেটা আমরা বুঝতে পারছি না।'

আবির হোসেন নামে অপর ব্যক্তির (নিজেকে স্থানীয় ব্যক্তি দাবি করেছেন) অভিযোগ, গাড়ি থেকে নেমে লাঠি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এক রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে। তবে কেউ হতাহত হননি। যদিও গুলি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনায় দ্রুত রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, কোনও গুলি চলেনি সেখানে। গ্রামবাসীদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ এপ্রিল চতুর্থ দফার নির্বাচনে কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চারজনের মৃত্যু হয়েছিল। যদিও কোচবিহারের পুলিশ সুপার দেবাশিস ধর জানিয়েছিলেন, দুপুরে বুথের কাছে অচেতন হয়ে পড়ে যায় এক নাবালক। তার চোখে মুখে জল দিচ্ছিলেন স্থানীয় কয়েকজন মহিলা। তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। তারইমধ্যে গ্রামে গুজব ছড়ায়, পুলিশ গুলি চালিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে গ্রাম থেকে নানা রকম অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বেরিয়ে আসেন ৩০০-৪০০ জন মানুষ। এরপরই যাবতীয় অশান্তির সূত্রপাত। কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছিল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বন্দুক কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

বন্ধ করুন