বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ ২০২১ > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > ‘‌শুরু হয়েছে ভালো, শেষ হবে ভালো’‌, মমতাকে তীব্র আক্রমণ করলেন দিলীপ
দিলীপ ঘোষ। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
দিলীপ ঘোষ। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

‘‌শুরু হয়েছে ভালো, শেষ হবে ভালো’‌, মমতাকে তীব্র আক্রমণ করলেন দিলীপ

  • আমাদের পার্টির লোককে ফোন করে এখন গদ্দারি শেখাচ্ছেন?

আর হাতে দু’‌দিন বাকি। তারপর দ্বিতীয় দফার নির্বাচন শুরু হয়ে যাবে। এবার নজরকাড়া কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। সেখানে যুযুধান প্রতিপক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেই নন্দীগ্রাম নিয়ে কড়া আক্রমণ শানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আবার পরোক্ষভাবে সমর্থন করলেন শুভেন্দু অধিকারীকে।

এদিন তিনি প্রশ্ন তুলে আক্রমণ করেন, ‘‌১০ বছর ধরে নন্দীগ্রামের মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কতবার নন্দীগ্রামে গিয়েছেন? কেন ওখানে একটি অফিস খুলে উন্নয়ন করলেন না? ওখানে আন্দোলন করলেন, অথচ মানুষগুলো খাবে কী, তার খবর রাখলেন না!‌ কেন ওখানকার লোককে বাইরে চলে যেতে হয়? এসব প্রশ্নের উত্তর আছে ওঁর কাছে? যে প্রাণ বাজি রেখে পার্টিকে জিতিয়েছিল, সে গদ্দার হয়ে গিয়েছে। আমাদের পার্টির লোককে ফোন করে এখন গদ্দারি শেখাচ্ছেন?’‌

প্রথম দফার নির্বাচন শেষ হয়ে গিয়েছে। এই বিষয় নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‌শুরু হয়েছে ভালো, শেষ হবে ভালো। আমরা বারবার মানুষকে বলেছিলাম। ভোট করুন আপনি। কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে। নির্বাচন কমিশন আছে। আপনার অধিকারকে সুরক্ষিত করবে। তারপর মানুষ বেড়িয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছেন। ভোট কেন্দ্রে ডিস্টার্ব হয়নি। বাইরে একটা সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তার জন্য আমাদের তিনজন কর্মীকে খুনও করা হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ সবকিছুকে উপেক্ষা করে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন। যেটা গত দু’‌তিনটে নির্বাচনে করতে পারছিলেন না। তার পরিণাম হচ্ছে বিজেপি ওখানে সব আসনে জিতছে।’‌

উল্লেখ্য, প্রথম দফার ভোটের পরের দিন নিজের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে অমিত শাহ বলেছিলেন, ‘‌৩০টির মধ্যে ২৬টি আসন বিজেপি পাবে।’‌ তার জবাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘‌কিরকম নির্লজ্জ দেখুন। ভোটের পরের দিনই বলছে এতগুলো আসন পাবে। তবে জানিয়ে রাখি, মা–বোনেরা আমায় ভোট দিয়েছেন। কত আসন পাবো এখন বলছি না। ওটা মা–বোনেদের উপর ছেড়ে দিলাম। ২ মে মানুষই শেষ কথা বলবে।’‌

ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করা হচ্ছে। এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‌দরকার হলে তাই করা হবে। উনি হয়ত ভুলে যাচ্ছেন ২০১১ সালে সেন্ট্রাল ফোর্স দিয়ে ভোট করা হয়েছিল বলেই উনি জিতেছিলেন। ২০১৬ সালে জিতেছিলেন। লোকসভা জিতেছিলেন। এই ইভিএম এই সেন্ট্রাল ফোর্স এই ইলেকশন কমিশন ছিল। আজ কেন এসব বলছেন। কারণ উনি হারছেন।’‌ সুতরাং দ্বিতীয় দফার আগে তেতে উঠেছে রাজ্য–রাজনীতি। এখন দেখার নন্দীগ্রামে ফল কি হয়। যা জানা যাবে ২ মে।

বন্ধ করুন