বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ ২০২১ > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > রাজ্য পুলিশের নতুন ডিজি কে?‌ নির্বাচন কমিশনের চিঠি মুখ্যসচিবকে
নির্বাচন কমিশনের দফতর। ফাইল ছবি। সৌজন্যে–এএনআই।
নির্বাচন কমিশনের দফতর। ফাইল ছবি। সৌজন্যে–এএনআই।

রাজ্য পুলিশের নতুন ডিজি কে?‌ নির্বাচন কমিশনের চিঠি মুখ্যসচিবকে

  • নতুন ডিজি হলেন ১৯৮৭ ব্যাচের আইপিএস পি নীরজনয়ন। তিনি ডিজি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) পদে ছিলেন।

বিধানসভা নির্বাচনের সূতিকালগ্নে রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্রকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার কমিশনের সচিব রাকেশ কুমার চিঠি দিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়ে দেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে পর্যালোচনা করার পর কমিশন এই বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন ডিজি হলেন ১৯৮৭ ব্যাচের আইপিএস পি নীরজনয়ন। তিনি ডিজি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) পদে ছিলেন। বর্তমান ডিজি বীরেন্দ্রকে নির্বাচনের কোনও কাজে যুক্ত করা যাবে না।

বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতেই রাজ্য পুলিশে রদবদল করে কমিশন। কয়েকদিন আগে এডিজি আইনশৃঙ্খলা পদ থেকে জাভেদ শামিমকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। তাঁর জায়গায় ওই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয় দমকলের ডিজি জগমোহনকে। আর দমকলের ডিজি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় জাভেদ শামিমকে। এমনকী কয়েকদিন আগেই কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদে বদল ঘটানো হয়েছে। অনুজ শর্মাকে সরিয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে সৌমেন মিত্রকে। অনুজ শর্মাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এডিজি (‌সিআইডি)‌ পদে। সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে এডিজি (সিআইডি) পদ থেকে সরিয়ে পাঠানো হয়েছে এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) পদে। সৌমেন মিত্রের পুরনো পদ অর্থাৎ এডিজি (প্রশিক্ষণ)–এ স্থলাভিষিক্ত হন দেবাশিস রায়। তিনি এর আগে এডিজি(সশস্ত্র পুলিশ) পদে বহাল ছিলেন।

এখন প্রশ্ন উঠছে, পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপি–কেই কী শুধু বদলি করা হল?‌ অন্যান্য রাজ্যেও তো বিধানসভা নির্বাচন আছে। সেখানেও কী বদল ঘটানো হয়েছে পুলিশে?‌ নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া অসম, কেরল, ত্রিপুরা এবং তামিলনাড়ুতে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। তামিলনাড়ুতে আয়কর দফতরের কর্তা কেজি অরুণরাজ–কে বদলি করে দেওয়া হয়েছে। অসমে ১২ জন পুলিশকে একসঙ্গে বদলি করে দেওয়া হয়েছে গত মাসে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় এডিজি (‌সিআইডি)‌ রাজীব কুমারকে বদলি করে দেওয়া হয়েছিল।

বিধানসভা নির্বাচনে হিংসা রুখতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। এই অজুহাত তুলেই পুলিশের রদবদল শুরু করেছে তারা। ইতিমধ্যেই নির্বাচনের দিন ঘোষণার আগেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এসে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। হিংসা রুখে সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট করা এবার কমিশনের কাছে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ। কারণ এবার লড়াইটা হবে তৃণমূল কংগ্রেস–বিজেপির মধ্যে। জেলায় জেলায় হিংসার খবর আসতে শুরু করেছে। দফাওয়ারি নির্বাচন পর্বে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা কেমন থাকে এখন সেটাই দেখার।

বন্ধ করুন