বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ ২০২১ > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > প্রথম দফায় বিজেপির দফারফা, আগাম বলে দিলেন মমতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

প্রথম দফায় বিজেপির দফারফা, আগাম বলে দিলেন মমতা

  • এই পরিস্থিতিতে নারায়ণগড়ে প্রচারে পৌঁছে গিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এখান থেকেই তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘‌প্রথম দফা হচ্ছে। আর বিজেপির দফা রফা হচ্ছে।’‌

নারায়ণগড়ে প্রচারে পৌঁছে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন,‘‌প্রথম দফা হচ্ছে। আর বিজেপির দফা রফা হচ্ছে।’‌ এই মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে হর্ষধ্বনি দিয়ে ওঠেন জনসভায় উপস্থিত জনতা।

এরপরই আমজনতাকে আশ্বস্ত করে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ‘হেরে যাচ্ছে ওরা (বিজেপি)। ক্যাশ ছড়িয়েও লাভ হচ্ছে না। লাভ হচ্ছে না গ্যাস দিয়েও! আর গ্যাসটাই বা দেবে কীভাবে! সেটার দামও তো আকাশছোঁয়া!’ তৃণমূল সুপ্রিমোর সরস কটাক্ষে হর্ষধ্বনি সভাস্থলে। আবেগের ছোঁয়া নিলেন মমতাও। বললেন, ‘কোনও ফেক নিউজ, ভেক নিউজ শুনবেন না। ওসব বিশ্বাস করে আস্থা হারাবেন না। মনে রাখবেন, তৃণমূল কংগ্রেসই আবার সরকার গঠন করবে। তৃণমূল কংগ্রেসই আপনাদের রক্ষা করবে।’

দ্বিতীয় দফায় নন্দীগ্রামে ভোট রয়েছে। এখানে প্রার্থী স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপক্ষে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে দলবদলু নেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে আজ নাম না করে সরাসরি তৃণমূল সুপ্রিমো অভিযোগ করেন, ‘‌মীরজাফরের ছেলে ওখানে টাকা বিলি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে। লজ্জা তো আমার!‌ আমিই তো এতো বাড়িয়েছি। নন্দীগ্রাম দিয়ে প্রচার শুরু করেছিলাম। শুরুতেই হোঁচট খাই। তবে রাজনৈতিক হোঁচট নয়, শারীরিক হোঁচট। ভয় হচ্ছিল, ভেবেছিলাম, আর হয়তো প্রচার করতে পারব না! কিন্তু বেরতে হল। না বেরলে প্রচারটা হবে কী করে! ওদের (বিজেপি) মতো আমরা তো দিল্লি, রাজস্থান, গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ থেকে ‘গুন্ডা’ আনতে পারব না! ‘বহিরাগত’রা বাইরের গুন্ডা এনে ধমকানি, চমকানি করছে। আমরা বাংলায় জন্মেছি, এই বাংলাতেই মরতে হবে।’‌

চৈত্রের দাবদাহের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে ‘বাংলা পলিটিক্যাল লিগে’র তপ্ত বাতাবরণ। প্রখর রোদ উপেক্ষা করে মমতা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন জনগণের উদ্দেশ্যে। বলেন, ‘‌খেলা হবে তো?‌ আমি খুব ভাল খেলতে পারি। এক পায়ে শট মেরে মাঠের বাইরে বের করে দিন এই শয়তান বিজেপিকে। ওরা হেরে যাবে বুঝতে পেরেই এখন টাকা ছড়াতে শুরু করেছে। ঘরে আর বাইরে সমানভাবে কাজ করতে হয় মা–বোনদের। যেটুকু সঞ্চয় তাঁরা করেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সংসারের প্রয়োজনে তা তুলে দিতে হয়। বেচারিদের হাতে কিছুই থাকে না। মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বলতে আর কিছুই নেই। যা ছিল, তা নরেন্দ্র মোদীর নোটবন্দির জেরে চলে গিয়েছে। তাই আমাদের সরকার গঠন হলে হাতখরচ দেওয়া হবে।’‌

বন্ধ করুন