বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > 'আমরা জানি উনি কী করে থাকেন', আবারও বিবেক দুবকে নিয়োগ করায় অখুশি মমতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিবেক দুবে। (ছবি সৌজন্য এএনআই এবং ফাইল)

'আমরা জানি উনি কী করে থাকেন', আবারও বিবেক দুবকে নিয়োগ করায় অখুশি মমতা

  • ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব সামলেছিলেন বিবেক দুবে।

বাকি চার রাজ্যে একজন করে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করা হয়েছে। একমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সেই সংখ্যাটা দুই। তাতে কোনওরকম আপত্তি না তুললেও বিবেক দুবেকে আবারও বাংলায় পাঠানোয় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, ‘আমরা সবাই জানি যে উনি কী করেছেন।’

বিধানসভা ভোট চলাকালীন রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৯৮১ ব্যাচের অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার বিবেক দুবেকে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত নির্বাচন কমিশন। যিনি ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব সামলেছিলেন। যে নির্বাচনে ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে বঙ্গে ১৮ টি আসন জিতেছিল বিজেপি। ৪৩ শতাংশ ভোট-সহ তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছিল ২২ টি আসন। সেই সময় কয়েক জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘অতিসক্রিয়তা’ নিয়ে সরব হয়েছিল তৃণমূল।

তবে এবার শুধু দুবে নন, পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে মণিপুর-ত্রিপুরা ক্যাডারের ১৯৭৭ ব্যাচের অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার মৃণালকান্তি দাসকেও নিয়োগ করেছে কমিশন। যিনি ত্রিপুরার নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। দু'জনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তাঁদের নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। 

সেই সিদ্ধান্তে একেবারেই সন্তুষ্ট নন মমতা। মৃণালকান্তি দাসকে নিয়ে কোনওরকম মন্তব্য না করলেও সরাসরি বিবেক দুবের নাম নিয়েছেন। মমতা বলেন, ‘বিজেপির চোখ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গকে না দেখার জন্য নির্বাচন কমিশনকে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি আমি। একই ব্যক্তিকে পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। ২০১৯ সালে বিবেক দুবে এখানকার (পুলিশ) পর্যবেক্ষক ছিলেন। আমরা সবাই জানি যে উনি কী করেছেন। আমরা সব খেলা এবং নাটক জানি। বিজেপির হাতে সব এজেন্সি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা আছে। একটি রাজ্যের নির্বাচনের কেন্দ্রীয় সরকারের নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারে না। যদি সেটা করতে দেওয়া হয়, তাহলে তা বড়সড় ভুল হবে।  তার ফল আপনাদের ভুগতে হবে।’

যদিও মমতাকে পালটা দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, 'নির্বাচন কমিশনকে অসম্মান করার উদ্দেশ্য হল ভারতীয় সংবিধানকে অসম্মান করা। বাংলার মানুষ তার যোগ্য জবাব দেবেন।'

বন্ধ করুন