বাংলা নিউজ > ভোটের লড়াই > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > ‌অবস্থান জানতে বিজেপিতে যাওয়া মিহির গোস্বামীকে চিঠি পার্থর, পাল্টা চিঠি বিধায়কের
কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে মিহির গোস্বামী। ফাইল ছবি সৌজন্য : পিটিআই (PTI)
কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে মিহির গোস্বামী। ফাইল ছবি সৌজন্য : পিটিআই (PTI)

‌অবস্থান জানতে বিজেপিতে যাওয়া মিহির গোস্বামীকে চিঠি পার্থর, পাল্টা চিঠি বিধায়কের

  • এদিন মিহির গোস্বামী বলেন, ‘‌এমনও লোক আছে যে তাঁরা কংগ্রেসের প্রতীকে নির্বাচিত বিধায়ক। তাঁরা আবার তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও জেলার সভাপতিও বটে।’‌

‌তাঁর অবস্থান কী জানতে চেয়ে কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক তথা সম্প্রতি তৃণমূল থেকে বিজেপি–তে যোগদানকারী মিহির গোস্বামীকে চিঠি দিয়েছেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ৭ দিনের মধ্যে তাঁকে উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এর পাল্টা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে নৈতিকতার প্রশ্ন তুললেন মিহির গোস্বামী। তাতে তিনি জানতে চেয়েছেন, বাম–কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন ১৯ জন বিধায়ক। তাঁদের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল?

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি–তে যাওয়া ১২ জন বিধায়ককে ৬ জানুয়ারি শোকজের নোটিশ ধরিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মিহির গোস্বামীও। সেই চিঠিতে বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের ডেপুটি লিডার তথা তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘‌আপনি তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত হওয়া বিধায়ক। কিন্তু সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় করা মন্তব্যের জেরে আপনি দলের সঙ্গে রয়েছেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ দানা বেঁধেছে। এই চিঠি পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে আপনাকে নিজের অবস্থান জানানোর অনুরোধ করা হচ্ছে।’‌ জবাব দিয়েছেন মিহির। যদিও ১২ জন বিধায়কের মধ্যে মিহির গোস্বামী ছাড়া কেউই তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে পাল্টা জবাব পাঠাননি।

গত বছরের শেষদিকে দলে থেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে বেসুরো গাইতে থাকেন মিহির গোস্বামী। ৩ অক্টোবর তৃণমূলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দেন। এর পর ২৭ নভেম্বর দলের সদস্য পদ থেকেও ইস্তফা দেন তিনি। সেদিনই দিল্লিতে বিজেপি–তে যোগ দেন মিহির গোস্বামী। এই প্রেক্ষাপটেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের চিঠি পাঠানো নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। পাল্টা চিঠি পাঠিয়েছেন কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক।

সেখানে বাম ও কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া ১৯ জন বিধায়কের নাম উল্লেখ করে মিহির গোস্বামী পাল্টা লিখেছেন, তাঁদের পুরনো দলের পক্ষ থেকেও বিধায়ক পদ থাকা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে বিধানসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। যাঁর নিষ্পত্তি করা হয়নি। দল পরিবর্তন করেও তাঁরা সকলে বিধায়ক পদে বহাল তবিয়তে রয়েছেন।

এ ব্যাপারে এদিন মিহির গোস্বামী বলেন, ‘‌এমনও লোক আছে যে তাঁরা কংগ্রেসের প্রতীকে নির্বাচিত বিধায়ক। তাঁরা আবার তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও জেলার সভাপতিও বটে। এ ধরণের অনৈতিক কাজ প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। আর যাঁরা প্রশ্রয় দেন তাঁদের মুখে নৈতিকতার প্রশ্ন সাজে না।’‌

বন্ধ করুন