বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ ২০২১ > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > ভোটের দিন হামলা চালাতে পারে 'ওরা', সতর্ক বনদফতর
সুবিধা আছে বুথে, যাব ভোট দিতে, কোচবিহারে সচেতনতামূলক প্রচার (নিজস্ব চিত্র)
সুবিধা আছে বুথে, যাব ভোট দিতে, কোচবিহারে সচেতনতামূলক প্রচার (নিজস্ব চিত্র)

ভোটের দিন হামলা চালাতে পারে 'ওরা', সতর্ক বনদফতর

  • ভোটের দিন দিনে দুপুরেও হামলা চালাতে পারে ওরা। বুথ সংলগ্ন এলাকায় বিশেয় নজরদারিতে বনদফতর।ভোটারদের যাতায়াতের রাস্তাতেও থাকবে টহলদারি

আরামবাগে তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডলকে তাড়া করেছিলেন উত্তেজিত গ্রামবাসীরা। উলুবেড়িয়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল বিদায়ী মন্ত্রী তথা প্রার্থী নির্মল মাজিকে। কিন্ত এসব দক্ষিণের কথা। উত্তরে আবার অন্য বিপদ। 

শুধু প্রার্থী নয়, ভোটার, ভোটকর্মীদেরও তাড়া করতে পারে ওরা।না কোনও রাজনৈতিক দলের লোকজন নয় ওরা। ওরা চিতা, বাইসন, হাতির দল। ভোটপর্বে তাদের হামলা ঠেকাতেই এবার উত্তরবঙ্গের বনাঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা করছে বনদফতর।

 এই যেমন আলিপুরদুয়ার। বনাঞ্চল এলাকায় প্রায় ১১৮টি বুথ রয়েছে। সেই বুথে যে কোনও সময় বন্যপ্রাণীর হামলার আশঙ্কা রয়েছে।এই হামলা তো আর বলে কয়ে আসেনা। সেকারনে আগাম ব্যবস্থা নিচ্ছে বনদফতর।বনদফতর সূত্রে খবর ইতিমধ্যেই বনদফতর ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে এব্যাপারে একপ্রস্থ বৈঠক হয়েছে।বুথে যাওয়া নিরাপত্তারক্ষী, ভোটকর্মীদের বন্যপ্রাণীদের হাত থেকে সুরক্ষার জন্য বনকর্মীরা বিশেষ নজরদারি করবেন।

হাতির করিডরগুলির উপরেও নজর রাখা হবে।আচমকা যাতে তারা জঙ্গল থেকে বেরিয়ে হামলা চালাতে না পারে সেকারনেই এই ব্যবস্থা। আলিপুরদুয়ারের ৫টি বিধানসভা এলাকাতেই কমবেশি জঙ্গল রয়েছে।হাতির আনাগোনা তো লেগেই থাকে। স্কুলবাড়ি,অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, বনবস্তির বাড়িগুলিতে রাখা চাল খাওয়ার জন্যও হানা দেয় তারা। এর সঙ্গে মাঠের ফসল তো আছেই।হাতি ছাড়াও চিতা, বাইসন, বিষাক্ত সাপের উপদ্রবও রয়েছে। সেকারণেই এবার একেবারে কোমর বেঁধে ময়দানে নামছে বনদফতর।

 আগামী ১০ এপ্রিল কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে ভোট। আগের রাতেই ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে পৌছে যাবেন ভোটকর্মীরা। কিন্ত কোনওভাবেই তাঁদের যাতে বন্য প্রাণীদের মুখোমুখি হতে না হয় সেটা খেয়াল রাখবেন বনদফতরের কর্মীরা।হাতি, চিতাবাঘ, বাইসনের আনাগোনা রয়েছে এমন বুথগুলিতে ভোটের আগের রাত থেকেই প্রয়োজনে সার্চ লাইট সহ অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে পাহারা দেবেন বনকর্মীরা।

 ভোটারদের যাতায়াতের রাস্তাতেও যাতে গজরাজ বেরতে না পারে সেজন্যও নজরদারি থাকবে।অন্যদিকে ভোটের দিন যাতে বুথের কাছাকাছি বন্য জন্তুরা হামলা চালাতে না পারে সেকারনে বুথ সংলগ্ন এলাকাতে নজর রাখবেন বনকর্মীরা।পাশাপাশি গভীর বনাঞ্চল সংলগ্ন বুথে মোবাইল নেটওয়ার্ক কাজ না করতে পারে। সেকারনে সেই সমস্ত এলাকায় বনদফতরের ওয়ারলেস নেটওয়ার্ককেও কাজে লাগানোর ব্যাপারে চিন্তাভাবনা চলছে।

 

 

বন্ধ করুন