বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ ২০২১ > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > লক্ষ্য হাইপ্রোফাইল প্রচার, নন্দীগ্রামে পৃথক হেলিপ্যাড তৃণমূল ও বিজেপির
নন্দীগ্রামে সভার জন্য লাগানো ব্যানারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি এবং শুভেন্দু অধিকারীরও ছবি রয়েছে।
নন্দীগ্রামে সভার জন্য লাগানো ব্যানারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি এবং শুভেন্দু অধিকারীরও ছবি রয়েছে।

লক্ষ্য হাইপ্রোফাইল প্রচার, নন্দীগ্রামে পৃথক হেলিপ্যাড তৃণমূল ও বিজেপির

  • এই হাইভোল্টেজ পরিস্থিতিতে দুই দলই নন্দীগ্রামে পৃথক হেলিপ্যাড তৈরি করার ব্যবস্থা করেছে।

এই মুহূর্তে নজরকাড়া কেন্দ্র পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম। জমি আন্দোলনের জেলায় এখন প্রেস্টিজ ফাইট। কারণ এখানে স্বয়ং দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাঁর বিপক্ষে বিজেপির হয়ে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই সেখানে ঘাঁটি গেড়েছেন শুভেন্দু দলবল। কিছুদিনের মধ্যে সেখানে পৌঁছে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই সেখানের ১ ও ২ নম্বর ব্লকে পৃথক অফিস খোলা হয়েছে। নেত্রীর থাকার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এই হাইভোল্টেজ পরিস্থিতিতে দুই দলই নন্দীগ্রামে পৃথক হেলিপ্যাড তৈরি করার ব্যবস্থা করেছে।

এই ঘটনা সামনে আসতেই নির্বাচনের দামামা চরমে উঠেছে। ইতিমধ্যেই রবিবার তৃণমূল কংগ্রেসের হেলিপ্যাডে পরীক্ষামূলক ওঠা–নামা করা হয়েছে। এই হেলিপ্যাডে এসেই থামবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপ্টার। প্রচারে এই কপ্টার কাজে লাগবে। তাই পৃথক হেলিপ্যাড তৈরি করা হয়েছে। নন্দীগ্রামের টেঙ্গুয়াতে হেলিপ্যাড তৈরি করছে বিজেপি। আর তৃণমূল কংগ্রেস হেলিপ্যাড তৈরি করেছে বরতলা এলাকায়। ২৭ মার্চ থেকে আট দফায় ভোট শুরু হয়ে যাবে বঙ্গে। তার আগে হেলিপ্যাড দ্বৈরথ তুঙ্গে উঠেছে।

জানা গিয়েছে, এখানের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেবেন ১০ মার্চ ও ১২ মার্চ। ইতিমধ্যেই শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তৃণমূল সুপ্রিমো–কে হাফ লাখ ভোটে পরাজিত করবেন। তিনি বলেন, ‘‌আমি তাঁকে পরাজিত করবই। উনি ভয় পেয়ে ভবানীপুর ছেড়ে এখানে চলে এসেছেন। মানুষ তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছে।’‌ এই হুঁশিয়ারির পাল্টা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা তথা রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‌এই দাবি উনি বহুবার করেছেন। তাঁর এখন কাজ শুরু করা উচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে ইতিমধ্যেই বহু কাজ করেছেন। এখন ওঁর মাটিতে নেমে কাজ করা উচিত। আমরাও দেখতে চাই কত কাজ বাকি আছে।’‌

নন্দীগ্রাম জুড়ে এখন দুই দলেরই ব্যানার–পোস্টারে ছয়লাপ হয়েছে। দেওয়াল লেখাও শুরু হয়ে গিয়েছে। কলকাতা থেকে নন্দীগ্রাম ১০০ কিমি দূরত্ব। আর এখানেই শুরু হতে চলেছে প্রেস্টিজ ফাইট। আর এই নন্দীগ্রামের জমি অধিগ্রহণ নিয়ে আন্দোলন শুরু হয়। তারপর থেকে সামনে আসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াই। সেখান থেকেই ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসা। এবার নন্দীগ্রাম থেকেই প্রার্থী তিনি। যেখানে বিধায়ক ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ফলে এই ভোটের দিকে তাকিয়ে সবাই। যার ফলাফল মিলবে ২ মে।

বন্ধ করুন