বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ ২০২১ > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > 'তৃণমূলের গরু হারিয়ে গিয়েছে' ফের সরব দিলীপ ঘোষ

এবার ভোটপর্বের মধ্য়েও গরুর প্রসঙ্গ উল্লেখ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তবে এবার তৃণমূলকে কার্যত কোণঠাসা করতে সেই গরুর কথা আনলেন দিলীপ ঘোষ। নিউটাউনে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘টিএমসির এখন গরু হারিয়ে গিয়েছে। চাষির গরু হারিয়ে গেলে যা হয় না। তাল ঠিক থাকে না। তেমনই হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী, তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা কী বলছেন তার ঠিক নেই। ভোট যত এগোচ্ছে ততই হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। হতাশ হয়ে গিয়ে এসব কথা বলছে। কেউ রাস্তায় নেই। এভাবে সন্ত্রাসের, ভয়ের যে রাজনীতি চলেছে মানুষ তার বিরুদ্ধে ভোট দিচ্ছেন। এবার পরিবর্তনের ভোট।’  রুদ্রনীলের উপর হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে  তিনি বলেন,  ‘অবশ্যই উসকানির জন্য এসব হচ্ছে। একবার ঘটনা হল শীতলকুচিতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উসকানিতে। আমার মনে হচ্ছে দুষ্কৃতীকারীরাও বুঝে গিয়েছে ২ তারিখের পরে সব হিসাব দিতে হবে।’ বিদায়ী মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকেও এদিন একহাত নেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গতবার বলেছিলাম চুপচাপ পদ্মে ছাপ। কারণ ভয়ের পরিবেশ ছিল। মানুষকে ভোট দিতে দিচ্ছিল না। এবার আর সেটা নয়, জোরদার পদ্মে ছাপ টিএমসি সাফ। আমরা সতর্ক থেকে কাজ করার চেষ্টা করছি। এই ধরণের হিংসা বন্ধ করা পুলিশের কাজ। কিন্তু পুলিশই ওদের ক্যাডারের মতো কাজ করছে। গুলি লাগছে, মারছে, ভাঙছে। আমার মনে হয় শেষের দিকটা ওরা আশা করেছিল কলকাতার আশেপাশে ওরা জিতবে সেটাও হচ্ছে না। সেকারণে আরও হিংসার আশ্রয় নিচ্ছে। সবদিকই আমরা কমিশনের  গোচরে আনছি।’

 

 

 

এবারও গরুর প্রসঙ্গ উল্লেখ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তবে এবার তৃণমূলকে কার্যত কোণঠাসা করতে সেই গরুর প্রসঙ্গ উল্লেখ করলেন দিলীপ ঘোষ। নিউটাউনে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, টিএমসির এখন গরু হারিয়ে গিয়েছে। চাষির গরু হারিয়ে গেলে যা হয় না। তাল ঠিক থাকে না। তেমনই হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী, তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা কী বলছেন তার ঠিক নেই। ভোট যত এগোচ্ছে ততই হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। হতাশ হয়ে গিয়ে এসব কথা বলছে। কেউ রাস্তায় নেই। এভাবে সন্ত্রাসের, ভয়ের যে রাজনীতি চলেছে মানুষ তার বিরুদ্ধে ভোট দিচ্ছে। এবার পরিবর্তনের ভোট।  রুদ্রনীলের উপর হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে  তিনি বলেন,  অবশ্যই উসকানির জন্য এসব হচ্ছে। একবার ঘটনা হল শীতলকুচিতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উসকানিতে। আমার মনে হচ্ছে দুষ্কৃতীকারীরাও বুঝে গিয়েছে ২ তারিখের পরে সব হিসাব দিতে হবে। বিদায়ী মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকেও একহাত নেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমরা গতবার বলেছিলাম চুপচাপ পদ্মে ছাপ। কারণ ভয়ের পরিবেশ ছিল। মানুষকে ভোট দিতে দিচ্ছিল না। এবার আর সেটা নয়, জোরদার পদ্মে ছাপ টিএমসি সাফ। আমরা সতর্ক থেকে কাজ করার চেষ্টা করছি। এই ধরণের হিংসা বন্ধ করা পুলিশের কাজ। কিন্তু পুলিশই ওদের ক্যাডারের মতো কাজ করছে। গুলি লাগছে, মারছে, ভাঙছে। আমার মনে হয় শেষের দিকটা ওরা আশা করেছিল কলকাতার আশেপাশে ওরা জিতবে সেটাও হচ্ছে না। সেকারণে আরও হিংসার আশ্রয় নিচ্ছে। সবদিকই আমরা কমিশনের  গোচরে আনছি।

 

 

|#+|

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বন্ধ করুন