বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ ২০২১ > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন উপেন বিশ্বাস, চিঠি সুব্রত বক্সিকে
প্রাক্তন আমলা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উপেন বিশ্বাস। ছবি সৌজন্য–টুইটার।
প্রাক্তন আমলা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উপেন বিশ্বাস। ছবি সৌজন্য–টুইটার।

তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন উপেন বিশ্বাস, চিঠি সুব্রত বক্সিকে

  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার ক্ষমতা দখল করার পরই তাঁর সঙ্গে হাত মেলান ২০০২ সালে সিবিআই–এর অতিরিক্ত ডিরেক্টর পদে বসা উপেন বিশ্বাস।

তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা আমলা উপেন বিশ্বাস। কিন্তু তিনি দল ছাড়লেন বিধানসভা নির্বাচনের শেষলগ্নে। এটাই রাজনীতির কারবারিদের ভাবিয়ে তুলেছে। কারণ নির্বাচনের আগে দলবদল করতে দেখা গিয়েছিল শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়–সহ একাধিক নেতা, মন্ত্রী, সাংসদকে। তাঁরা নাম লিখিয়েছেন বিজেপিতে। কিন্তু নির্বাচনের ফলপ্রকাশের যখন আর কয়েকদিন মাত্র বাকি, ঠিক তার আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন প্রাক্তন আমলা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উপেন বিশ্বাস।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার ক্ষমতা দখল করার পরই তাঁর সঙ্গে হাত মেলান ২০০২ সালে সিবিআই–এর অতিরিক্ত ডিরেক্টর পদে বসা উপেন বিশ্বাস। লালুপ্রসাদকে পশুখাদ্য মামলায় জেলে পাঠানো উপেন বিশ্বাস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে চিঠি পাঠিয়ে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেন উপেন বিশ্বাস। এখন উপেন বিশ্বাসের দলত্যাগ নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবিরে।

উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনে দাঁড় করিয়ে বিধায়ক করা থেকে শুরু করে উপেন বিশ্বাসকে অনগ্রসর শ্রেণিকল্যান দফতরের মন্ত্রীও করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে অবশ্য হেরে গেলেও তাঁকে এসটি–এসসি কমিশনে ক্যাবিনেট মন্ত্রীর পদমর্যাদার দায়িত্বও দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। দলের সিবিআই বিষয়ক পরামর্শদাতার দায়িত্বও ছিল উপেন বিশ্বাসের হাতে। বুধবার সমস্ত দায়িত্বই ছেড়ে দিলেন তিনি।

কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের শেষপ্রান্তে এসে কেন দল ছাড়লেন তিনি? সূত্রের খবর, আপাতত প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কারণই সামনে এনেছেন তিনি। তবে বিজেপিতে তাঁর যোগদানের কোনও সম্ভাবনা আছে কিনা, সেই বিষয়টিও ভাবাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। আগামী ২ তারিখের পর তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলা হবে। এমনকী তাঁকে তৃমমূল ভবনেও ডেকে পাঠানো হতে পারে।

বন্ধ করুন