বাংলা নিউজ > ভোটের লড়াই > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > রাজীব তৃণমূলকে হারাতে পারলে সাংসদের জার্সি খুলে দেব, চ্যালেঞ্জ 'সুরে ফেরা' প্রসূনের
তখন ‘বন্ধু’, মিছিলে কাছাকাছি রাজীব এবং প্রসূন। (ফাইল ছবি, সৌজন্য ফেসবুক)
তখন ‘বন্ধু’, মিছিলে কাছাকাছি রাজীব এবং প্রসূন। (ফাইল ছবি, সৌজন্য ফেসবুক)

রাজীব তৃণমূলকে হারাতে পারলে সাংসদের জার্সি খুলে দেব, চ্যালেঞ্জ 'সুরে ফেরা' প্রসূনের

প্রসূন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‌রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে দেখাক।

ডুমুরজলার মঞ্চ থেকে রাজ্যে পদ্ম ফোটানোর চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই চ্যালেঞ্জের জবাব দিলেন হাওড়ার তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোলাখুলি চ্যালেঞ্জ জানালেন হাওড়ার তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাতেই বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্য–রাজনীতি জমে উঠেছে।

প্রসূন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘‌রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে দেখাক। সাংসদের এই জার্সি গা থেকে খুলে ফেলে দেব।’‌ কয়েকদিন আগে তিনিও 'বেসুরো' ছিলেন। তবে সুরে ফিরে কার্যত ফুটবল প্লেয়ারের মেজাজে রাজীবের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন প্রসূন। আর তার পরই হাওড়া নিয়ে নয়া সমীকরণ দেখছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

এদিকে বিজেপিতে যোগ দিয়ে রাজ্য থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাস্ত করে সোনার বাংলা গড়ার ডাক দিয়েছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিতে যোগ দিয়েই জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেয়েছেন তিনি। এই নিয়ে তাঁকে কটাক্ষ করে প্রসূন বলেন, ‘‌জেড ক্যাটেগরির অনেক খরচ। সেটা বিজেপি দিচ্ছে না। সাধারণ মানুষের করের টাকায় দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। সত্যিকারের জননেতা হলে নিরাপত্তা লাগে না। তাঁর কার্যকলাপ আচার–ব্যবহারে সব মানুষ থেকে বিরোধীরাও তাঁকে ভালোবাসবে।’‌ 

হাওড়ার সাংসদ আরও জানান, রাজীব তাঁর একসময়ের সহযোদ্ধা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে ঘুরেছেন। কিন্তু উনি দিদির আদর্শকে কী সম্মান দিয়েছেন? তৃণমূল কংগ্রেসের জার্সি পরে মন্ত্রী হয়ে বিপদের দিনে দিদিকে ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত হয়নি। ডোমজুড়ের মানুষ তাই রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমা করবেন না। কারণ ওই কেন্দ্রের মানুষ সবাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভালোবাসেন, সমর্থন করেন।

অন্যদিকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেছিলেন, তাঁকে যদি তৃণমূল কংগ্রেসের সমুদ্রের একঘটি জল কিংবা বটগাছের ঝরা পাতা বলে মনে হয়, তাহলে এত চিন্তা কিসের। জবাবে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‌কেউ কোনও চিন্তা করছে না। দলের কেউ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে মেরে হাত গন্ধ করবে না। বরং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন ও আদর্শকে নিয়ে লড়াই করে জয়ী হবে।’‌

বন্ধ করুন