বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ ২০২১ > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > প্রকাশ্যে হাতাহাতিতে জড়ালেন দুই বিজেপি নেত্রী, ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার
বিজেপি–র দলীয় পতাকা। ফাইল ছবি
বিজেপি–র দলীয় পতাকা। ফাইল ছবি

প্রকাশ্যে হাতাহাতিতে জড়ালেন দুই বিজেপি নেত্রী, ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার

  • দুই বিজেপি নেত্রীর হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর থেকে গোটা রাজ্যজুড়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। পার্টি অফিস ভাঙচুর থেকে অগ্নিসংযোগ সবই দেখেছে রাজ্যের মানুষ। এবার দেখলেন নতুন ঘটনা। দুই বিজেপি নেত্রীর হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ঘটনায় অস্বস্তি বেড়েছে শাসকদলের। কারণ এই ঘটনা নিয়ে জোর চর্চা হতে শুরু করেছে।

বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর থেকে গোটা রাজ্যজুড়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। পার্টি অফিস ভাঙচুর থেকে অগ্নিসংযোগ সবই দেখেছে রাজ্যের মানুষ। এবার দেখলেন নতুন ঘটনা। দুই বিজেপি নেত্রীর হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ঘটনায় অস্বস্তি বেড়েছে শাসকদলের। কারণ এই ঘটনা নিয়ে জোর চর্চা হতে শুরু করেছে।

ঠিক কী ঘটেছে?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, কাটোয়ার দাইহাটে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে ছবি তোলার জন্য প্রস্তুত হন বিজেপি নেত্রী তথা একুশের প্রার্থী শ্যামা মজুমদার। তখন তাঁকে বিজেপির যুব মোর্চার জেলা সম্পাদিকা সীমা সরকার মোদককে ওবিসি মোর্চার জেলা সম্পাদিকা বিনীতা বড়াল ধাক্কা দেন। তাতেই মেজাজ চটকে যায় প্রার্থীর। সেখান থেকে শুরু হয় বচসা। আর তা গড়ায় হাতাহাতি পর্যন্ত। নির্বাচনী প্রচারের মিছিলে এই বেনজির ঘটনা রাজ্য নেতৃত্বের কাছেও খবর পৌঁছেছে।

সূত্রের খবর, কে আগে ছবি তুলবেন! এই নিয়ে ঝগড়া শুরু করে শেষে হাতাহাতিই করে বসলেন দুই বিজেপি নেত্রী। তাও আবার, প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার মিছিলে। কাটোয়ার দাইহাটের এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়েছে গেরুয়া শিবিরে। দাইহাটের বিজেপি প্রার্থী শ্যামা মজুমদারের নির্বাচনী প্রচারে ছবি তোলার সময়ে বিজেপির যুব মোর্চার জেলা সম্পাদিকা সীমা সরকার মোদককে ওবিসি মোর্চার জেলা সম্পাদিকা বিনীতা বড়াল ধাক্কা দেন। তখনই দু’‌জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়। দুই নেত্রীকে থামাতে আসেন খোদ প্রার্থী শ্যামা মজুমদার ও অন্যান্য নেতৃত্বরা।

সীমা সরকার মোদক জানান, ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে একটি ঘটনা ঘটেছে। যদিও এই ঘটনা তৃণমূল কংগ্রেসের নজর এড়ায়নি। দাইহাটের পুরপ্রশাসক শিশির মণ্ডল বলেন, ‘ক্ষমতায় না এসেই সামান্য ছবি তোলা নিয়ে হাতাহাতি করছে। ক্ষমতায় এলে না জানি কী কী করবে।’ আসলে সীমা সরকার মোদক চেয়েছিলেন প্রার্থীর পাশে থেকে ছবি তুলতে। আর তাঁকে সরিয়ে ছবি তুলতে চেয়েছিলেন বিনীতা বড়াল। তাই এই ধাক্কা, আর তা থেকে হাতাহাতি।

বন্ধ করুন