বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ ২০২১ > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > 'যুদ্ধের সময় অভিমান করে ঘরে বসে থাকতে নেই',বিক্ষুব্ধ তৃণমূলকর্মীদের বার্তা মমতার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

'যুদ্ধের সময় অভিমান করে ঘরে বসে থাকতে নেই',বিক্ষুব্ধ তৃণমূলকর্মীদের বার্তা মমতার

  • 'আমি যদি ভাঙা পায়ে লড়ে যেতে পারি, তাও যদি আমরা লড়ে যেতে পারি, তোমরা কেন লড়বে না?'

বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মানভঞ্জনে এবার আসরে নামলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁরা ‘অভিমান’ করে বসে আছেন, ‘যুদ্ধের সময়’ তাঁদের ‘লড়াই’ করার আহ্বান জানালেন তিনি। 

সোমবার ঝালদার সভায় হুইলচেয়ারে বসে মমতা বলেন, ‘আমি এখনও মনে করি, আমরা তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা অনেক শক্তিশালী। তোমরা অনেক লড়াই করেছ। আজকে কেন তোমরা গুটিয়ে যাবে? তৃণমূল কংগ্রেস শক্তিশালী কিনা, তা যাচাই করতে চাই। আমি যদি ভাঙা পায়ে লড়ে যেতে পারি, মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে, তাও আমি লড়ে যেতে পারি, আমার হাতদুটো ভেঙে দিয়েছে, তাও যদি আমরা লড়ে যেতে পারি, তোমরা কেন লড়বে না? যাঁরা এখনও বসে আছ অভিমান করে, বেরিয়ে এস, যুদ্ধের সময় অভিমান করে বসে থাকতে নেই। যুদ্ধের সময় লড়াই করতে হয় লড়াই করার মতো।’

তবে মমতা এই প্রথম তৃণমূল কর্মীদের উপর বাড়তি জোর আরোপ করলেন না। এবারের নির্বাচনী প্রচার শুরুর লগ্ন থেকেই মমতা দাবি করে আসছেন, তৃণমূলের মূল শক্তিই হল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের কর্মীরা। এবার একধাপ এগিয়ে বিক্ষুব্ধ কর্মীদেরও বার্তা দেওয়ার পথে হেঁটেছেন মমতা। তাতে একেবারে অবাক নন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। তাঁদের মতে, ভোটের আগে একাধিক বড়সড় নেতা তৃণমূল ছেড়েছেন। প্রতিদিনই কোনও ছোটো-বড়-মাঝারি নেতা বিজেপিতে যাচ্ছেন। তার ফলে সংগঠনে ধাক্কা লাগছে। একইসঙ্গে গোষ্ঠীকোন্দল-সহ একাধিক কারণে সক্রিয় ময়দান থেকে সরে গিয়েছেন অনেক বিশ্বস্ত কর্মী। সেই পরিস্থিতিতে নিচুস্তরের কর্মীরা যাতে হতদ্যম না হয়ে পড়েন এবং বিজেপির পতাকা তুলে না নেন, তাই তাঁদের বার্তা দিয়েছেন মমতা। একইসঙ্গে বোঝালেন দলের কর্মীদের পাশে আছেন মমতা।

বন্ধ করুন