বাংলা নিউজ > ভোটের লড়াই > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > অভিষেককে চড় কষিয়ে ছিলেন, সেই যুবককে পাশে বসিয়ে কণিষ্কর খোঁচা, ‘‌মনে পড়ল ভাইপো?‌’
অভিষেককে চড় মারছেন দেবাশিস আচার্য। পাশে, বিজেপি নেতা কণিষ্ক পণ্ডার সঙ্গে। ছবি সৌজন্য : ফাইল ছবি ও ফেসবুক
অভিষেককে চড় মারছেন দেবাশিস আচার্য। পাশে, বিজেপি নেতা কণিষ্ক পণ্ডার সঙ্গে। ছবি সৌজন্য : ফাইল ছবি ও ফেসবুক

অভিষেককে চড় কষিয়ে ছিলেন, সেই যুবককে পাশে বসিয়ে কণিষ্কর খোঁচা, ‘‌মনে পড়ল ভাইপো?‌’

  • ২০১৫ সালের ৪ জানুয়ারি, রবিবারের ঘটনা। ৬ বছর পর ফের ফেসবুকে উঠে এল সেদিনের ভিডিও।

পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে তৃণমূলের সভামঞ্চে উঠে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গালে সপাটে চড় কষিয়ে ছিলেন এক যুবক। ২০১৫ সালের ৪ জানুয়ারি, রবিবারের ঘটনা। ৬ বছর পর ফের ফেসবুকে উঠে এল সেদিনের ভিডিও। সৌজন্যে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ বিজেপি নেতা কনিষ্ক পণ্ডা। ফেসবুকে সেই ভিডিও পোস্ট করে কনিষ্ক লিখেছেন, ‘‌৬ বছর আগের কথা!‌ মনে পড়ল ভাইপো?‌’

এক বাংলা সংবাদ চ্যানেলের পুরনো সেই ফুটেজ শেষে রয়েছে আর এক চমক। কণিষ্ক পাণ্ডার পাশে বসেছিলেন সেই যুবক, যিনি চড় মেরেছিলেন অভিষেককে। ‌তমলুকের বাসিন্দা দেবাশিস আচার্য নামে ওই যুবক বর্তমানে বিজেপি–র নেতা। আগে অবশ্য বি টেক পাশ ওই যুবক এবিভিপি করতেন।

এদিন দেবাশিসকে পাশে বসিয়ে কণিষ্ক পণ্ডা বলেন, ‌‘‌ভাইপো চিনতে পারছ?‌ এই সেই আমার ভাই। সেবার তোমার গালে থাপ্পড় মেরেছিল। এবার কিন্তু তোমাকে মারবে না।’‌ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ওই ফেসবুক–বার্তায় মদন মিত্র ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কণিষ্ক পণ্ডা। বার্তার শেষে তিনি বলেছেন, ‘সাবধান ভাইপো’‌। উল্লেখ্য, ৬ ফেব্রুয়ারি শুভেন্দুর খাসতালুক কাঁথিতে সভা করতে আসছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

২০১৫ সালের ৪ জানুয়ারি ঠিক কী ঘটেছিল?‌ চণ্ডীপুরের যুব তৃণমূলের সভামঞ্চে উঠে সবে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে কয়েকটা কথা বলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে তখন অখিল গিরি, আনিসুর রহমানরা রয়েছেন। এক যুবক মোবাইল ফোনে ছবি তোলার অছিলায় অভিষেকের একেবারে কাছে পৌঁছে যায় আর তার পরই ওই যুবক সপাটে চড় কষিয়ে দিলেন তাঁর গালে। ঘুষিও মারে।

সঙ্গে সঙ্গে মঞ্চে থাকা তৃণমূল নেতাকর্মীকে ওই যুবককে ধরে ফেলেন। শুরু হয় গণপিটুনি। লাঠি, বাঁশ নিয়ে ওই এলাকায় তাণ্ডব শুরু করে তৃণমূলের কর্মী–সমর্থকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলে পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। জখম হন তমলুকের এসডিপিও–সহ ১২ জন পুলিশকর্মী। চণ্ডীপুর থানাতেও চলে ব্যাপক ভাঙচুর। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ওই যুবককে। সেই ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ৬ বছর। ফের সোশ্যাল মিডিয়া মনে করাল নজিরবিহীন সেই ঘটনার কথা।

বন্ধ করুন