বাড়ি > বায়োস্কোপ > ‘মর্গে সুশান্তের পায়ে হাত দিয়ে সরি বাবু বলি, কয়েক সেকেন্ড ভিতরে ছিলাম’ : রিয়া
রিয়া চক্রবর্তী ক্ষমা চেয়েছিলেন সুশান্তের কাছে! 
রিয়া চক্রবর্তী ক্ষমা চেয়েছিলেন সুশান্তের কাছে! 

‘মর্গে সুশান্তের পায়ে হাত দিয়ে সরি বাবু বলি, কয়েক সেকেন্ড ভিতরে ছিলাম’ : রিয়া

  • ৪-৫ সেকেন্ড মর্গে ছিলাম বললেন রিয়া। যদিও রিয়ার দাবির সঙ্গে মিলছে প্রত্যক্ষদর্শী সুরজিত সিংয়ের বয়ান। 

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পরের দিন, ১৫ জুন কুপার হাসপাতালের মর্গে সুশান্তের অন্তিম দর্শনে গিয়েছিলেন রিয়া চক্রবর্তী। রিয়া এই মর্গে যাওয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে সংবাদ মাধ্যমে। কার অনুমতি নিয়ে এবং কীভাবে মর্গে গেলেন রিয়া?  মর্গে খুব ঘনিষ্ঠ কাউকে ছাড়া ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয় না। তাই পরিবারের অনুমতি না নিয়ে রিয়ার মর্গে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

সুশান্তের মৃত্যুর পর বৃহস্পতিবার প্রথম সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হল রিয়া চক্রবর্তী। এবং ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে মর্গে যাওয়া নিয়ে মুখ খুললেন সুশান্ত মামলার মূল অভিযুক্ত। তিনি বলেন, মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্যই সুশান্তের মরদেহ দেখেছিলেন তিনি। সেই সময় নাকি সুশান্তের দেহ মর্গ থেকে ভ্যানে তোলা হচ্ছিল শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

কতক্ষণ মর্গে ছিলেন তিনি? এই প্রশ্নের জবাবে রিয়া বলেন, মাত্র ৩-৪ সেকেন্ড। আমাকে বাইরে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছিল।আমার বন্ধুরা অনুরোধ করেছিল আমি ওকে শেষবার দেখতে চাই। আমাকে তারপর বলা হয় যখন মর্গ থেকে শ্মশানের জন্য দেহ নিয়ে যাওয়া হবে তখন আমি দেখতে পাব। যখন সেটা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তখন আমি কয়েক সেকেন্ডের জন্য দেখেছিলাম। তিনি যোগ করেন, হ্যাঁ, আমি সরি বলেছিলাম কারণ….ওকে চলে গেল। আমি ওঁর পায়ে দিয়েছিলাম শ্রদ্ধা জানাতে, সেটা যে কোনও ভারতীয় বুঝতে পারবে, কেউ কেন পায়ে হাত দেয়'।

যদিও রিয়াকে যিনি সেইদিন মর্গের ভিতর নিয়ে গিয়েছিলেন সেই করণি সেনার সদস্য সুরজিত সিং সংবাদমাধ্যমকে যা জানিয়েছেন সেই বক্তব্যের সঙ্গে রিয়ার ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া বক্তব্যের বেশ কিছু অমিল রয়েছে। তাঁর কথায়, ' আমি রিয়াকে সঙ্গে নিয়ে যখন মর্গের ভিতর ঢুকি এবং সুশান্তের মুখের সাদা চাদর সরিয়ে ছিলাম। এবং সেই সময় সুশান্তের বুকের উপর হাত রেখে রিয়া একটাই শব্দ উচ্চারণ করেছিল সরি বাবু’। তিনি বলেন, রিয়ার সঙ্গে সেদিন মর্গে পৌঁছেছিল তাঁর গোটা পরিবার। রিয়ার মা,ভাই এবং বাবাও সুশান্তের অন্তিম দর্শন করতে চেয়েছিল কিন্তু হাসপাতালের তরফে সেই অনুরোধ মানা হয়নি। তাঁরা মিনিট পাঁচেক ভিতরে ছিল বলে জানিয়ে ছিলেন সুরজিত্। 

৮ জুন সুশান্তের বান্দ্রার কার্টার রোডের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে চলে যান রিয়া, সুশান্তের সঙ্গে ঝামেলার পরেই ওই ফ্ল্যাট থেকে রিয়া বেরিয়ে যান বলে খবর। এবং রিয়া যাওয়ার ছয়দিনের মাথায় সুশান্তের অস্বাভাবিক অবস্থায় মৃত্যু হয়। ২০১৯-এর এপ্রিল থেকে প্রেম সম্পর্কে ছিলেন সুশান্ত-রিয়া। 

সুশান্তের পরিবারের তরফে রিয়ার বিরুদ্ধে সুশান্তকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া, অভিনেতার সঙ্গে আর্থিক ও মানসিক প্রতারণার অভিযোগ এনে এফআইআর দায়ের করা হয় গত ২৫ জুলাই। সেই এফআইআরের ভিত্তিতে গত ৫ অগস্ট সুশান্ত মামলায় এফআইআর দায়ের করে সিবিআই। শুক্রবার অবশেষে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রশ্নের মুখে রিয়া।

বন্ধ করুন