বাড়ি > বায়োস্কোপ > 'সুশান্তের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হয়তো ভুল হয়েছিল', বললেন 'বন্ধু' সন্দীপ সিং
'সুশান্তের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হয়তো ভুল হয়েছিল', বললেন 'বন্ধু' সন্দীপ সিং (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
'সুশান্তের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হয়তো ভুল হয়েছিল', বললেন 'বন্ধু' সন্দীপ সিং (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)

'সুশান্তের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হয়তো ভুল হয়েছিল', বললেন 'বন্ধু' সন্দীপ সিং

  • কেন অ্যাম্বুলেন্স চালকের সঙ্গে কথা বলেছিলেন, সে কথাও জানিয়েছেন সন্দীপ।

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকেই তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। গত ১৪ জুন কেন তিনি প্রয়াত অভিনেতার ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন, তা নিয়েও বিভিন্ন তত্ত্ব ভেসে আসছিল। অবশেষে তা নিয়ে মুখ খুললেন সিনেমা নির্মাতা সন্দীপ সিং। আক্ষেপ করলেন, সুশান্তের পরিবারের দাঁড়িয়ে হয়তো ভুল করেছিলেন তিনি।

‘দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া’-য় এক সাক্ষাৎকারে সন্দীপ বলেন, ‘আজ, আমার মনে হচ্ছে যে (সুশান্তের ফ্ল্যাটে) যাওয়া এবং ওঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ানো ভুল হয়েছিল। আমার হয়তো স্বার্থপরের মতো আচরণ করা উচিত ছিল এবং দরকারের সময় তাঁদের পাশে দাঁড়ানো উচিত হয়নি।’

কেন ১৪ জুন অভিনেতার ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন, সে কথাও জানান সন্দীপ। তিনি জানান, সেই কাজটাই তাঁর সঠিক মনে হয়েছিল এবং সেখানে সুশান্তের কোনও বন্ধু উপস্থিত না থাকায় যাবতীয় নিয়মকানুন ও নথি সংক্রান্ত কাজ করেছিলেন। সুশান্তের দিদি একা ছিলেন বলে দাবি করে সন্দীপ বলেন, 'আমি আমার বন্ধুর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। অন্যদের মতো ঘরের ভিতরে থাকিনি। এটা অপরাধ নয়।'

সুশান্তের মৃতদেহ উদ্ধারের দিন শুধুমাত্র অভিনেতার ফ্ল্যাটে নয়, হাসপাতালেও গিয়েছিলেন সন্দীপ। পরদিন অভিনেতার শেষকৃত্যেও যোগ দিয়েছিলেন। তারইমধ্যে তিনি স্বীকার করেন যে বছরখানেক ধরে সুশান্তের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ ছিল না। 'পিঙ্কভিলা'-কে এক সাক্ষাৎকারে প্রয়াত অভিনেতার পরিবারের আইনজীবী বিকাশ সিং দাবি করা হয়, সন্দীপকে কেউ চেনেন না।

যদিও রবিবার বিকেলে সুশান্তের সঙ্গে ব্যক্তিগত চ্যাটের স্ক্রিনশট ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন সন্দীপ। ২০১৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কথাবার্তার পাঁচটি স্ক্রিনশট শেয়ার করে সন্দীপ লেখেন, 'সরি ভাই, আমার নিঃস্তবদ্ধতা আমার ২০ বছরের ভাবমূর্তি এবং আমার পরিবারকে ভেঙে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে। আমি জানতাম না যে আজকের দিনে বন্ধুত্বের শংসাপত্রের প্রয়োজন হয়। আজ আমাদের ব্যক্তিগত চ্যাট প্রকাশ্যে আনছি। এটাই শেষ উপায়, যা আমাদের সমীকরণকে প্রমাণ করে।'

কিছুক্ষণ পর সুশান্তের দিদি ও জামাইবাবুর সঙ্গে কথোপকথনেরও কয়েকটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেন সন্দীপ। সেই চ্যাট (সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা) অনুযায়ী, ১৮ জুন রাত ১০ টা ১২ মিনিটে সন্দীপকে হোয়্যাটসঅ্যাপ করে্ সুশান্তের ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে যেতে বলেন মিতু। দু'দিন পর অ্যাম্বুলেন্সের টাকা মিটিয়ে দেওয়া নিয়েও দু'জনের মধ্যে কথা হয়। তবে সুশান্তের পরিবারের সঙ্গে পরিচয় না থাকার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন সন্দীপ। তিনি বলেন, 'সবাই বলছেন, আমি তোমার (সুশান্ত) পরিবার আমায় চেনে না। হ্যাঁ, সেটা সত্যি। আমি কখনও তোমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করিনি।'

বন্ধ করুন