বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Arbaaz Merchant: 'এবার থামবে', NCB অফিসে হাজিরা দিতে এসে ক্যামেরায় পোজ! বাবার কীর্তিতে ক্ষেপে লাল আরিয়ানের বন্ধু
এনসিবি অফিসের বাইরে আরবাজ ও তাঁর বাবা
এনসিবি অফিসের বাইরে আরবাজ ও তাঁর বাবা

Arbaaz Merchant: 'এবার থামবে', NCB অফিসে হাজিরা দিতে এসে ক্যামেরায় পোজ! বাবার কীর্তিতে ক্ষেপে লাল আরিয়ানের বন্ধু

  • NCB অফিসের সামনে ক্যামেরায় পোজ দিতে বাধ্য করল বাবা,  জনসমক্ষেই মেজাজ হারালো আরবাজ মার্চেন্ট। 

হাই কোর্টের জামিনের শর্তে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে প্রত্যেক শুক্রবার এনসিবি দফতরে হাজিরা দিতে হবে আরিয়ান খান, আরবাজ মার্চেন্টদের। সেইমতোই মুম্বই ক্রুজ ড্রাগ কাণ্ডের অভিযুক্তরা শুক্রবারে হাজির হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থার মুম্বই কার্যালয়ে। ব্যালাড এস্টেটে অবস্থিত এনসিবি দফতরের সামনে এদিন স্বভাবতই ছিল সংবাদমাধ্যমের ভিড়। কারণ শাহরুখ পুত্রের নাম জড়িত রয়েছে এই হাই প্রোফাইল মামলায়। এদিন এনসিবি দফতরের সামনে এমন এক কাণ্ড ঘটল নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না! 

এদিন নির্ধারিত সময়ে হাজিরা সেরে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ক্যামেরাপার্সনদের জন্য দাঁড়িয়ে পোজ দিল আরবার মার্চেন্ট, আরিয়ান মামলার সহ-অভিযুক্ত তথা আরিয়ানের ছেলেবেলার বন্ধু। তবে না, নিজের ইচ্ছায় নয় বাধ্য হয়ে ক্যামেরার সামনে পোজ দিল সে। এদিন বাবা আসলাম মার্চেন্টের সঙ্গে এনসিবি দফতরে পৌঁছেছিল আরবাজ। বাড়ি ফেরবার সময় জোরজবরদস্তি তাঁকে দাঁড় করিয়ে সংবাদমাধ্যমের জন্য পোজ দেওয়ালো বাবা। একটা সময় তো লজ্জায়, বিরক্তিতে আরবাজ বলে উঠে, ‘বাবা এবার থামো’। বাবা-ছেলের কাণ্ড দেখে হাসি চাপতে পারেনি সংবাদকর্মীরাও। হু হু করে ভাইরাল এই ভিডিয়ো। 

এদিন পাপারাতজিদের তরফে অপর এক ভিডিয়োও শেয়ার করা হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে গটগটিয়ে এনসিবি দফতরের ভিতর ঢুকে পড়ছেন আরিয়ান খান। সংবাদমাধ্যমকে কোনওরকম পাত্তা দেয়নি সে। 

মুম্বই থেকে গোয়াগামী এক ক্রুজ থেকে গত ২রা অক্টোবর এনসিবির হাতে আটক ও পরবর্তী সময় গ্রেফতার হন আরিয়ান খান। এরপর মাদককাণ্ডে প্রায় এক মাস ধরে হেফাজতে ছিলেন শাহরুখ পুত্র। গত ২৮শে অক্টোবর আরিয়ানের জামিন মঞ্জুর করে বম্বে হাই কোর্ট। দু-দিন পর আর্থার রোড জেল থেকে বাইরে আসেন আরিয়ান, আরবাজ মার্চেন্টকে জেলের বাইরে আসতে আরও একদিন অপেক্ষা করতে হয়েছিল। 

মাদক মামলার জামিনের বিস্তারিত রায়ে বম্বে হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ আরিয়ান খান যে ষড়যন্ত্র করেছেন, প্রাথমিকভাবে তেমন কোনও প্রমাণ মেলেনি। এখনও পর্যন্ত  এনসিবির কাছে এমন কোনও প্রমাণ নেই, যাতে আদালত নিশ্চিত হতে পারবে বেআইনি কোনও কাজ করার লক্ষ্য ছিল আরিয়ান, আরবাজ মার্চেন্ট এবং মুনমুন ধামেচার। 

বন্ধ করুন