বাড়ি > বায়োস্কোপ > ‘কাউকে আমার কৃতিত্ব ছিনিয়ে নিতে দেব না’, বিতর্কের মাঝে বললেন আসল গুঞ্জন সাক্সেনা
রিয়েল ও রিল লাইন গুঞ্জন সাক্সেনা (ছবি সৌজন্য মিন্ট)
রিয়েল ও রিল লাইন গুঞ্জন সাক্সেনা (ছবি সৌজন্য মিন্ট)

‘কাউকে আমার কৃতিত্ব ছিনিয়ে নিতে দেব না’, বিতর্কের মাঝে বললেন আসল গুঞ্জন সাক্সেনা

  • গুঞ্জন দাবি করেন, একটি অংশ থেকে যে বলা হচ্ছে, তিনি কার্গিল যুদ্ধে প্রথম মহিলা পাইলট ছিলেন না, তা সর্বৈব্ব মিথ্যা।

মুক্তির পর থেকেই একের পর এক বিতর্কে জর্জরিত 'গুঞ্জন সাক্সেনা: দ্য কার্গিল গার্ল'। কখনও ভারতীয় বায়ুসেনা অভিযোগ করেছে, বাহিনীকে বাজেভাবে দেখানো হয়েছে। কখনও আবার প্রাক্তন বায়ুসেনা আধিকারিক দাবি করেছেন, সিনেমায় মিথ্যা গল্প ফেঁদেছেন পরিচালক-প্রয়োজকরা। সেইসব মধ্যেই মুখ খুললেন গুঞ্জন সাক্সেনা। জানালেন, তাঁর নিজের কৃতিত্ব অন্য কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবেন না।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে নিজের কলামে গুঞ্জন জানান, বায়ুসেনায় আট বছর কাটানোর সময় তিনি একাধিক 'প্রথম'-এর নজির গড়েছেন। প্রথম মহিলা হিসেবে যুদ্ধক্ষেত্রে উড়েছেন, জঙ্গল ও বরফে বেঁচে থাকার প্রশিক্ষণ করেছেন। এছাড়াও আরও অনেক 'প্রথম'-এর অধিকারী তিনি। 

গুঞ্জন দাবি করেন, একটি অংশ থেকে যে বলা হচ্ছে, তিনি কার্গিল যুদ্ধে প্রথম মহিলা পাইলট ছিলেন না, তা সর্বৈব্ব মিথ্যা। তাঁর প্রশ্ন, কীভাবে কেউ অস্বীকার করতে পারেন যে তিনি কার্গিল যুদ্ধে ‘প্রথম’ মহিলা অফিসার ছিলেন না? গুঞ্জনের কথায়, ‘আমার মতো একজন চুপচাপ মানুষ নিজের ঢাক নিজেই পেটানোর কারণ হল, যাঁরা এই সকল তথ্য অস্বীকার করবেন, তাঁদের উদ্দেশে আমি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছি। ভারতীয় বায়ুসেনার রেকর্ডে এই সব প্রথমগুলি নথিভুক্ত করা আছে। এগুলি আমার শংসাপত্র, আমার কৃতিত্ব। সেই ট্রফিগুলি আমার কষ্ট করে সংগ্রহ করা এবং নিজের স্বার্থে কাউকে আমি সেদিকে আঙুলও তুলতে দেব না।’

পাশাপাশি সিনেমায় বায়ুসেনায় লিঙ্গবৈষম্যের বিষয়টি নিয়ে আবার গুঞ্জনের গলায় কিছুটা নরম সুর শোনা গিয়েছে। লিঙ্গবৈষম্য নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তাতে বায়ুসেনার মতো প্রতিষ্ঠানের উপর ন্যূনতম দাগও পড়বে না বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন বায়ুসেনা অফিসার। তাঁর বক্তব্য, 'আমি যখন বাহিনীতে যোগ দিয়েছিলাম, তখন সাংগঠনিক স্তরে কোনও বৈষম্য ছিল না, তা লিঙ্গের ভিত্তিতে হোক বা অন্য কিছুর ভিত্তিতে। তবে হ্যাঁ, দু'জন মানুষ কখনও এক হতে পারেন না এবং কিছু মানুষ অন্যদের তুলনায় পরিবর্তনের সঙ্গে ভালো খাপ খাইয়ে নিতে পারেন। যেহেতু সাংগঠনিক স্তরে বৈষম্য ছিল না, তাই প্রত্যেক মহিলা অফিসারের অভিজ্ঞতা আলাদা হবে। সেটা পুরোপুরি অস্বীকার করে যাওয়া সামন্ততান্ত্রিক মানসিকতার প্রমাণ এবং মহিলা অফিসারদের মনের জোরকে দমিয়ে দেওয়া। মহিলা হওয়ার জন্য কয়েকজন ব্যক্তির কাছে আমি পক্ষপাত এবং বৈষম্যের মতো সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি। কিন্তু কখনও তা সাংগঠিক স্তরে হয়নি। আমি সর্বদা সমান সুযোগ পেয়েছি।'

বন্ধ করুন