বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > 100 Hours 100 Stars:লকডাউন শেষ হলে সবার প্রথম কী করবেন সোনাক্ষী? উত্তর চমকে দেবে
সোনাক্ষী সিনহা (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
সোনাক্ষী সিনহা (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

100 Hours 100 Stars:লকডাউন শেষ হলে সবার প্রথম কী করবেন সোনাক্ষী? উত্তর চমকে দেবে

  • লকডাউন শেষ হলেই বন্ধুদের জড়িয়ে ধরে কাঁদতে চান সোনাক্ষী, আর উড়ে যেতে চান মলদ্বীপে, ঝাঁপিয়ে পরতে চান সেখানকার সমু্দ্রে। আর কী বললেন নায়িকা? 

দেশজুড়ে লকডাউনের তৃতীয় পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। করোনা সংকটে বিশ্বজুড়ে অনিশ্চিত পরিস্থিতি।সোমবার ভারতে লকডাউনের ৪১তম দিন। বাবা শক্রুঘ্ন সিনহা এবং বাবা পুনমের সঙ্গেই ঘরবন্দি সোনাক্ষীর সময় কাটছে। কিন্তু লকডাউন শেষ হলেই সবার প্রথম কী কী করবেন সেই প্ল্যানিং সেরে ফেলেছেন বলিউডের দাবাং গার্ল। ফিভার নেটওয়ার্ক ও হিন্দুস্তান টাইমসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত #100Hours100Stars-র অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নিজের লকডাউন পরবর্তী প্ল্যানিং শেয়ার করলেন সোনা। 

লাইভ আড্ডায় অভিনেত্রী জানান,'লকডাউন শেষ হলেই মলদ্বীপে যেতে চান সোনাক্ষী। গোটা বিশ্বে ওটাই আমার সবচেয়ে পছন্দের জায়গায়। ওখানে গিয়ে সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পরতে চাই। তবে কে জানে কবে সেই পরিস্থিতি আসবে, যখন মানুষজন ফের একবার আন্তর্জাতিক স্তরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে স্বচ্ছন্দ বোধ করবে'। তবে মলদ্বীপ যেতে পারার আগেও একটা কাজ করতে চান সোনাক্ষী, সেটা হল কাছের বন্ধুদের জড়িয়ে ধরে কাঁদতে চান নায়িকা! তাঁর কথায়,'লকডাউন শেষ হলে যে কোনও কমন ফ্রেন্ডের বাড়িতে সব বন্ধুরা জড়ো হব এবং একে অপরকে জড়িয়ে ধরব এবং প্রচন্ড কাঁদব!'। 

সোনাক্ষী এমনটাও জানান, তিনি নিজে কোয়ারেন্টিনে থাকতে ভালোবাসেন। অর্থাত্ যখন তিনি কাজ করেন না তখন খুব বেশি বাইরে যাতায়াত করতে বা লোকজনের সঙ্গে দেখা কার তাঁর খুব বেশি পছন্দ নয়। কিন্তু পরিস্থিতি এক্কেবারেই আলাদা হয় সেই সময়। তাই এই লকডাউনের অনুভূতিটা একদম আলাদা।

সারাটা দিন কীভাবে কাটাচ্ছেন নায়িকা? সোনাক্ষীর কথায়, 'আমি কিছুই করছি না, আর এইভাবেই আমার দিন কাটছে। দেরি করে ঘুমোচ্ছি, দেরি করে ঘুম থেকে উঠছি। থিয়েটারে যে সব ছবি দেখা মিস করেছি,সেগুলো দেখছি। নতুন নতুন ওয়েব সিরিজ দেখছি। ইচ্ছা হলে একটু ওয়ার্কআউট করছি, ব্যাস এই চলছে’।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দুঃস্থের পাশে দাঁড়াতেই  #100Hours100Stars-র উদ্যোগ নিয়েছে ফিভার নেটওয়ার্ট। দেশের সবচেয়ে বড় ডিজিট্যাল এই ফেস্ট শুরু হয়েছে ২-রা মে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কঠিন সময়ে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কুর্নিশ জানানোর পাশাপাশি ১০০ ঘন্টার সুস্থ বিনোদন পৌঁছে দেওয়ায় হচ্ছে দেশবাসীর কাছে। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে অভিনেতা কিংবা ক্রীড়াবিদ কেমনভাবে কাটছে তাঁদের লকডাউনের দিনগুলো? বাড়ি বসেই ভিডিয়ো কলের মাধ্যমে তাঁর হদিশ দিচ্ছেন তারকারা। এই ক্যাম্পেনের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দান করা হবে পিএম কেয়ার্স ফান্ডে।

বন্ধ করুন