বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > লকডাউনে অবসাদে ভুগছিলেন অনুরাগ কাশ্যপ কন্যা আলিয়া, ভর্তি হতে হয়েছিল হাসপাতালে
আলিয়া কাশ্যপ (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
আলিয়া কাশ্যপ (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

লকডাউনে অবসাদে ভুগছিলেন অনুরাগ কাশ্যপ কন্যা আলিয়া, ভর্তি হতে হয়েছিল হাসপাতালে

এখনও ভুলতে পারেননি ভয়ংকর সে সময়। সম্প্রতি অবসাদ ও দুশ্চিন্তার কারণে হওয়া অ্যাংজাইটি অ্যাটাক নিয়ে ইউটিউবে পোস্ট করলেন আলিয়া কাশ্যপ।

মেন্টাল হেল্থ নিয়ে কিছুদিন আগেই মুখ খুলেছিলেন আমির খান-কন্যা ইরা খান। এবার মেন্টাল হেল্থ অর্থাৎ অবসাদ নিয়ে কথা বলতে শোনা গেল অনুরাগ কাশ্যপ কন্যা আলিয়া কাশ্যপকে। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আলিয়া ভাগ করে নিয়েছেন কীভাবে তিনি অবসাদ ও দুশ্চিন্তা কাটিয়ে উঠেছেন। আপাতত আলিয়া পড়াশওনার জন্য আমেরিকায় রয়েছেন।  

নিজের ইউটিউব ভিডিয়োতে আলিয়া জানান, বয়সসন্ধি থেকেই তিনি অবসাদে ভুগছেন। কখনও তা বেশি হত, কখনও কম। কিন্তু, নিজের মনের এই অবস্থা নিজেই কাটিয়ে উঠতে পারতেন। কখনও তা এতটা গুরুগম্ভীর আকার নেয়নি, যতটা নিয়েছিল ২০২০-র লকডাউনে।

আলিয়া জানান, ‘এর আগে যতবার অবসাদে ভুগেছি কাউন্সেলিংয়ের একটা কিংবা দুটো সেশন নেওয়ার পরেই ঠিক হয়ে গিয়েছি। কিন্তু গত বছর লকডাউনের সময়তে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছিল, যা আগে কখনও হয়নি। আমি সারাক্ষণ কাঁদতাম। জীবনের কোনও অর্থ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। মনে হত, কেন বেঁচে রয়েছি আমি। নিজেকে আর সবার কাছে বোঝা মনে হত।’

ডিসেম্বরে প্যানিক অ্যাটাকের কারণে হাসপাতালেও ভর্তি পতে হয় আলিয়াকে। খাওয়া, ঘুমনো, স্নান করার মতো প্রাত্যহিক কাজও একপ্রকার বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি। তখন বাধ্য হয়ে মেয়ের কাছে উড়ে যান অনুরাগ ও তাঁর স্ত্রী।

ডিসেম্বরের সেই দিনটা এখনও মনে আছে আলিয়ার। জানান, ‘হঠাৎই আমার শরীর অবশ হয়ে আসে। হার্ট রেট বেড়ে যায়। ঘামতে শুরু করি। গোটা শরীরটা থরথর করে কাঁপছিল। মনে হচ্ছিল এখনই মরে যাব! ...এর আগেও আমার অ্যাংজাইটি অ্যাটাক হয়ছে। তাই আমি জানতাম, এটা কোনওভাবেই হার্ট অ্যাটাক নয়। হাসপাতালে গেলে চিকিৎসকরাও জানান অত্যাধিক দুশ্চিন্তার জন্যই এমন হয়েছে। ওটা একটা ভয়ংকর দিন ছিল!’  

বন্ধ করুন