বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘২৫-২০ বছরে যা শিখেছি সব ভেঙে গেল’, অমিতাভের কোন সিনেমা দেখে এভাবে কাঁদল আমির?
অমিতাভের ‘ঝুণ্ড’ দেখে চোখে জল আমিরের।

‘২৫-২০ বছরে যা শিখেছি সব ভেঙে গেল’, অমিতাভের কোন সিনেমা দেখে এভাবে কাঁদল আমির?

  • ‘ঝুন্ড’কে অমিতাভের সেরা ছবির মধ্যে একটা বলেও উল্লেখ করেন। প্রশংসা করেন ছবির দুই শিশুশিল্পীরও।

অভিনেতা আমির খানের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল ‘ঝুন্ড’-এর ব্যক্তিগত স্ক্রিনিং। টি সিরিজের পক্ষ থেকে তাঁদের ইউটিউব চ্যানেলে যে ভিডিয়ো শেয়ার করা হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে সিনেমা দেখে নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি আমির। একইসঙ্গ এই ছবিকে তিনি বলেছেন ‘অদ্বিতীয়’। ‘ঝুন্ড’-র পরিচালক নগরাজ পোপটরাও মঞ্জুলে ও প্রযোজক ভূষণ কুমারের সাথে কথা প্রসঙ্গে আমির জানান, তিনি গত ২০-৩০ বছরে যা শিখেছিলেন তা সব ভেঙে দিয়েছে এই ছবি। সঙ্গে ‘ঝুন্ড’কে অমিতাভের সেরা ছবির মধ্যে একটা বলেও উল্লেখ করেন। প্রশংসা করেন ছবির দুই শিশুশিল্পীরও। 

সমাজকর্মী বিজয় বারসের জীবনের উপর ভিত্তি করেই এই ছবির গল্প। যিনি বস্তির বাচ্চাদের প্রেরণা দিয়েছিলেন ফুটবল টিম তৈরি করতে। মুখ্য চরিত্রে অমিতাভ। সিনেমা শেষ হতেই অমিতাভকে বলতে শোনা যায়, ‘কী দারুণ ছবি! ওহ ভগবান। খুব ভালো সিনেমা।’

সিনেমা শেষ হলে উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান দেন অমিতাভ। টি-শার্টের হাতা দিয়ে তাঁকে চোখের জল মুছতেও দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে যথেষ্ট ভাষা নেই প্রশংসার। যেভাবে সিনেমায় ভারতের ছেলে মেয়েদের আবেগ তুলে ধরা হয়েছে তা এককথায় অসাধারণ। বাচ্চাগুলো যেভাবে কাজ করেছে তার যত প্রশংসা করো কম।’

অমিতাভ প্রসঙ্গে আমির বলেন, ‘কী দাকুম কাজ করেছএন উনি। ওঁ অনেক ভালো ছবি উপহার দিয়েছে দর্শককে। কিন্তু এটা ওঁর সেরা ছবিগুলির মধ্যে একটা। দুর্দান্ত একটা সিনেমা।’

‘ঝুন্ড’-র অভিনেতাদের সাথে কথা বলেন, তাঁদের প্রশংসা করেন এবং বাড়িতে আসার আমন্ত্রণ জানান। এরপর সবাইকে নিজের বাড়ি নিয়ে এসে ছেলে আজাদ রাও খানের সাথে পরিচয়ও করান।

বন্ধ করুন