বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > এবার 'ইন্ডিয়ান আইডল' কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিজিৎ সাওয়ান্ত!
'ইন্ডিয়ান আইডল' এর প্রথম সিজনের বিজয়ী হয়েছিলেন অভিজিৎ সাওয়ান্ত। ছবি সৌজন্যে - হিন্দুস্তান টাইমস
'ইন্ডিয়ান আইডল' এর প্রথম সিজনের বিজয়ী হয়েছিলেন অভিজিৎ সাওয়ান্ত। ছবি সৌজন্যে - হিন্দুস্তান টাইমস

এবার 'ইন্ডিয়ান আইডল' কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিজিৎ সাওয়ান্ত!

এবার 'ইন্ডিয়ান আইডল' -এর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শোয়ের প্রথম সিজনের বিজয়ী অভিজিৎ সাওয়ান্ত। শোয়ের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বললেন প্রতিভার তুলনায় জোর দেওয়া হচ্ছে ব্যক্তিগত জীবনের 'ট্র্যাজিক' ঘটনায়!

অমিতকুমারের পর এবার 'ইন্ডিয়ান আইডল' -এর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শোয়ের প্রথম সিজনের বিজয়ী অভিজিৎ সাওয়ান্ত। শোয়ের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে তিনি বলেন বর্তমানে শোয়ে অংশগ্রহণকারীদের প্রতিভার তুলনায় জোর দেওয়া হচ্ছে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনে হওয়া 'ট্র্যাজিক' ঘটনায়! সম্প্রতি, এই শোয়ের কিশোরকুমার স্পেশ্যাল পর্ব সম্প্রচারণ হওয়ার পরপরই নেটমাধ্যমে ওই অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন নেটনাগরিকরা। ওই বিশেষ পর্ব প্রসঙ্গে এক জাতীয় স্তরের সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কিশোর-পুত্র অমিতকুমা জানিয়েছিলেন অনুষ্ঠানে হাজির হওয়ার জন্য তাঁকে মোটা টাকার পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল এবং নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল প্রতিযোগীদের যেন তিনি প্রশংসা করে উৎসাহিত করেন। অতএব অনেকের গান ভালো না লাগলেও তিনি সেই নির্দেশ অনুযায়ী প্রশংসা করতে বাধ্য হয়েছেন! এবার এই ব্যাপারেই মুখ খুললেন অভিজিৎ সাওয়ান্ত। যদিও অমিতকুমারের সুরে প্রতিযোগীদের ওপর সরাসরি কোনও দোষারোপ করেননি তিনি। তাঁর মতে কিশোরকুমারের মতন তো আর কেউ গাইতে পারবেন না। তাই যে যাঁর নিজের দক্ষতা ও প্রতিভা অনুযায়ী গান গেয়ে কিশোরের উদ্দেশে শ্রদ্ধার্ঘ্য জ্ঞাপন করেছেন।

তবে 'ইন্ডিয়ান আইডল' শো-কে মোটেই ছেড়ে কথা বলেননি তিনি। 'আজ তক'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই গায়ক জানিয়েছেন আজকাল 'ইন্ডিয়ান আইডল' শোয়ের কর্তৃপক্ষদের 'ফোকাস' প্রতিযোগীদের প্রতিভার ওপর থাকে না তেমন। তাঁরা বেশি নজর দেন কোন প্রতিযোগীর ব্যক্তিগত জীবনে দুঃখের গল্পটা বেশি। অভিজিতের কথায়, ' শোয়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগী জুতো পালিশ করে দিন গুজরান করেন কি না কিংবা অর্থনৈতিকভাবে কতটা পিছিয়ে পড়া সেসবের ওপরেই এখন বেশি নজর শোয়ের কর্তাদের।' এখানেই না থেমে শোয়ের কর্তাদের একহাত নিয়ে তিনি আরও বলেছেন যে দেশের বিভিন্ন আঞ্চলিক রিয়েলিটি শোয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয় অংশগ্রহণকারীদের প্রতিভার ওপরে। কিন্তু যখনই হিন্দিতে রিয়েলিটি শো আরম্ভ হয়, লক্ষ্য তখন হয় কীভাবে প্রতিযোগীদের জীবনের দুঃখ-দুর্দশার গল্প দর্শকদের সামনে পেশ করা যায়। অভিজিতের কটাক্ষ যে শোয়ের ব্যবসা ও টিআরপি নিয়েই সেকথা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। আরও বলেন, তিনি যখন এই শোয়ের অংশ ছিলেন তখন একবার গান গাওয়ার মাঝে সেই গানের লাইন বেমালুম ভুলে গেছিলেন তিনি। তখন নিজেদের মধ্যে শোয়ের বিচারকরা পরামর্শ করে তাঁকে ফের একবার সুযোগ দেন। তবে এই ঘটনা যদি আজ কোনও প্রতিযোগীর সঙ্গে হতো তাহলে তিনি নিশ্চিৎ অনুষ্ঠানের ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরে শোনা যেত কানফাটানো বিদ্যুতের শব্দ কিংবা কোনও নাটকীয় সুর!

বন্ধ করুন