বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > 'সবাইকে জেলে পোরা হোক যারা কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করেছে', বিস্ফোরক কঙ্গনা
কঙ্গনা রানাওয়াত (HT_PRINT)
কঙ্গনা রানাওয়াত (HT_PRINT)

'সবাইকে জেলে পোরা হোক যারা কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করেছে', বিস্ফোরক কঙ্গনা

  • 'দিলজিৎ দোসাঞ্জ ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জবাব দাও? গোটা বিশ্ব আমাদের দিকে তাকিয়ে হাসছে', লিখলেন কঙ্গনা। 

ফের বোমা ফাটালেন কঙ্গনা রানাওয়াত।এই মর্মে এদিন দিলজিত্ দোসাঞ্জ, প্রিয়াঙ্কা চোপড়াদের মতো তারকাদের একহাত নিলেন কঙ্গনা। শুরু থেকেই কৃষিবিল বিরোধী কৃষক আন্দোলনে কেন্দ্র সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে রোষের মুখে পড়েন কঙ্গনা, তবে দমে যাননি নায়িকা। কৃষকদের ট্র্যাক্টর মিছিল হিংসাত্মক রূপ নেওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিলেন কঙ্গনা। লালকেল্লায় তাণ্ডব চালিয়েছে ‘খালিস্তানি’ ও ‘কৃষকের বেশধারী সন্ত্রাসবাধীরা’ অভিযোগ অভিনেত্রীর। এইধরণের ঘটনা দেশ ও জাতির জন্য চরম অবমাননাকর, বিশ্বের কাছে আজ আমাদের মাথা হেঁট হয়ে গেল। এই দেশ, সুপ্রিম কোর্ট, সংবিধান, সরকার ‘সব মজাক বনকে রহ গায়ে হ্যায়’ বললেন কঙ্গনা। 

প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন লালকেল্লার এই ঘটনা নিয়ে টুইটারে বিস্ফোরক ভিডিয়ো পোস্ট করে কঙ্গনা লেখেন, অসুস্থবোধ করছি এবং প্রতি মাসে এই ধরণের দাঙ্গা আর রক্তগঙ্গা দেখে ক্লান্ত, দিল্লি,বেঙ্গালুরু এবার ফের দিল্লি। সঙ্গে কঙ্গনা হ্যাশট্যাগ জুরে দেন- ‘দিল্লি পুলিশ লঠ বজাও’ (দিল্লি পুলিশ লাঠি চালাও) এবং লালকেল্লা। 

লালকেল্লায় কৃষক সংগঠন নিশান সাহিবের পতাকা উত্তোলনের ছবি পোস্ট করে কঙ্গনার প্রশ্ন, ‘এবার জবাব দাও দিলজিৎ দোসাঞ্জ ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। গোটা বিশ্ব এখন আমাদের দিকে তাকিয়ে হাসছে। এটাই তোমরা চেয়েছিলে তো! অভিনন্দন।’

ভিডিয়ো বার্তায় কঙ্গনা বলেন, 'লালকেল্লা থেকে যে ছবি উঠে আসছে তা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। সকলকে জেলে পোরা হোক যারা এই তথাকথিত কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করেছে। তাঁদের শাস্তি দেওয়া দরকার, এর কোনও তো একটা শাস্তিবিধান থাকা দরকার। 

অপর এক টুইটে কঙ্গনা দাবি করেন প্রায় ছয়টি বিজ্ঞাপনী প্রচারের কাজ হাতছাড়া হয়েছে তাঁর কৃষকদের তিনি (কঙ্গনা) সন্ত্রাসবাদী বলেছেন এমন অভিযোগ এনেছে অনেকে।কঙ্গনা এদিন লিখলেন, ‘আজ আমি প্রত্যেক ভারতবাসীকে বলতে চাই, যাঁরা এই বিক্ষোভকে সমর্থন করছে প্রত্যেকে সন্ত্রাসবাদী আর এই দেশ বিরোধী সংস্থাগুলিও’।

রিপাবলিক ডে-র সরকারি অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যাওয়ার পর কৃষকদের শান্তিপূর্ণ ট্র্যাক্টর ব়্যালির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের মার্চ করবার জন্য নির্দিষ্ট রুটও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বেলা গড়াতেই কিন্তু নির্দিষ্ট রাস্তায় না গিয়ে সেন্ট্রাল দিল্লির দিকে এগিয়ে চলে ট্র্যাক্টর ব়্যালি। যার জেরে পুলিশ,আধা সামরিক বাহিনীর সঙ্গে কৃষকদের খন্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। চলে লাঠিচার্জ, ছোঁড়া হয় কাঁদানে গ্যাস.. তবুও আটকানো যায়নি আন্দোলনরত কৃষকদের। লালকেল্লার ভিতরে ঢুকে পড়ে তাঁরা। 

বন্ধ করুন