বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Aindrila-Sabyasachi: ‘ও আর ফেসবুকে লিখবে না!’, ঐন্দ্রিলার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছে সব্যসাচী, জানালেন সৌরভ

Aindrila-Sabyasachi: ‘ও আর ফেসবুকে লিখবে না!’, ঐন্দ্রিলার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছে সব্যসাচী, জানালেন সৌরভ

ঐন্দ্রিলা শর্মাকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছে সব্যসাচী। 

 ঐন্দ্রিলা শর্মাকে হারিয়ে যেমন শোকে কাতর অনুরাগীরা, তেমন অনেকের মনেই প্রশ্ন যে সব্যসাচী ঠিক আছেন তো? জবাব দিলেন কাছের বন্ধু সৌরভ দাস। 

সোশ্যাল মিডিয়া আজ ভালোবাসার উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করে ঐন্দ্রিলা শর্মা আর সব্যসাচী চৌধুরীর নাম। আর হবে নাই বা কেন, আজকালকার দিনে যখন ভালোবাসা অনেকের কাছেই দেখনদারি, ছোটখাটো ঝামেলাতেও ভেঙে যায় সম্পর্ক, সেখানে এই দুটো মানুষ যে একে-অপরকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে ছিলেন। তবে রবিবার ঐন্দ্রিলার মৃত্যুর পর সঙ্গীহারা সব্যসাচী। অভিনেত্রীকে হারিয়ে যেমন শোকে কাতর অনুরাগীরা, তেমন অনেকের মনেই প্রশ্ন যে সব্যসাচী ঠিক আছেন তো?

সব্যসাচীর কাছের বন্ধু সৌরভ দাস জানালেন, ‘সব্য ভেঙে পড়েছে। কেমনই বা থাকবে ও এই পরিস্থিতিতে। তবে আমি সব্যকে বলেছি এক ফোঁটা চোখের জল যেন ও না ফেলে। ঐন্দ্রিলার মা-বাবাকে সামলায়। তবে সব্যসাচী ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে আর কিছু লিখবে না। কারণ মিষ্টির কথাতেই তো ও লেখা শুরু করেছিল। ঐন্দ্রিলার স্বাস্থ্যের খবর ভাগ করে নিত সকলের সঙ্গে। কেউ যদি আশা করেন ফেসবুকে আর কোনও পোস্ট দেবে সব্য, তা আর হবে না।’

আরও বললেন, ‘হাসপাতালের লিফ্টের এক কোণে বসে আছে ও। ফেসবুক কী ভাবে বন্ধ করতে হয়, সেটা আমার থেকে জেনে নিল।’ সবাইকে বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন যাতে কেউ এই স

প্রসঙ্গত, সেই প্রথম থেকে সৌরভ নিজেও ছিলেন হাসপাতালে। সব্যসাচীর সঙ্গে সবটা সামলাতেন। তবে ওয়ার্ক কমিটমেন্টের কারণে এখন তিনি দেশের বাইরে। রয়েছেন থাইল্যান্ডে ‘আবার বিবাহ অভিযান’ ছবির শ্যুটিংয়ে। বুধবার রাতে যখন ঐন্দ্রিলার মৃত্যুর ভুয়ো খবর রটেছিল, তখন ফেসবুকে রাগ দেখিয়ে লিখেছিলেন, ‘বেঁচে আছে এখনও। মেরে ফেলো না ওকে। পায়ে পড়ছি।’

২০১৭ সালে ‘ঝুমুর’ ধারাবাহিকের সেটে প্রথম আলাপ ঐন্দ্রিলা আর সব্যসাচীর। ওটাই ছিল অভিনেত্রীর প্রথম কাজ। সেখান থেকে বন্ধুত্ব। একসঙ্গে আড্ডা। তারপর ফোনালাপ। আর তারপর গভীর প্রেম। ঐন্দ্রিলার শেষ ফেসবুক পোস্টও কিন্তু সব্যসাচীকে নিয়েই। প্রেমিকের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমার বেঁচে থাকার কারণ’।

কিন্তু সব প্রেমের গল্পের এন্ডিং হ্যাপি হয় না! তাই খাঁটি একটা প্রেমের গল্পও বড় জলদি শেষ হয়ে গেল। তবে তাঁদের নাম সারাজীবন লেখা হবে সোনার অক্ষরেই।

 

বন্ধ করুন