বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > আগে থেকে গর্ভবতী বলে তড়িঘড়ি দ্বিতীয় বিয়ে সারলেন? জবাব দিলেন দিয়া মির্জা
বিয়ের আগেই সন্তানসম্ভবা ছিলেন দিয়া
বিয়ের আগেই সন্তানসম্ভবা ছিলেন দিয়া

আগে থেকে গর্ভবতী বলে তড়িঘড়ি দ্বিতীয় বিয়ে সারলেন? জবাব দিলেন দিয়া মির্জা

  • অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলেই বৈভব রেখিকে বিয়ে করেছেন, সেই দাবি উড়িয়ে দিলেন দিয়া।  

বিয়ের ঠিক ৪৫ দিনের মাথায় নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। ফেব্রুয়ারি মাসেই ব্যবসায়ী বৈভব রেখির সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন অভিনেত্রী। এরপর মলদ্বীপে হানিমুনে উড়ে গিয়েছিলেন নায়িকা, পরে যদিও জানা গেল না হানিমুন নয় আদতে বেবিমুনে উড়ে গিয়েছেন তাঁরা। 

বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন দিয়া, তা বলে দিচ্ছে নায়িকার বেবি বাম্প। এর জেরে ট্রোলিংয়ের মুখেও পড়েছেন দিয়া। শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি অনেকের মন্তব্যেই ভেসে এসেছে কটাক্ষ। তবে সন্তানসম্ভবা ছিলেন বলেই বিয়ে করেছেন এমন দাবি নস্যাত্ করলেন প্রাক্তন মিস এশিয়া প্যাসিফিক। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি এক নেটনাগরিক দিয়ার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, ‘খুবই ভাল খবর, কিন্তু সমস্যাটা হল অন্য জায়গায়। মহিলা পুরোহিতের মন্ত্রে বিয়ে করে প্রচলিত রীতি ভেঙেছেন ঠিকই, কিন্তু বিয়ের আগে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরটা চেপে রাখলেন কেন? তার মানে কি বিয়ের আগে প্রেগন্যান্ট হওয়াটা অন্যায়? কেন এক জন মহিলা বিয়ের আগে সন্তানসম্ভবা হতে পারেন না'?

দিয়া খুব সহজভাবে এই প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি বলেন গর্ভবতী বলে বৈভবের সঙ্গে সংসার পেতেছেন তা নয়, বরং এই মানুষটার সঙ্গে সারা জীবনটা কাটানোর পরিকল্পনা ছিল বলেই বিয়ে করা। পাশাপাশি দিয়া জানান, বিয়ের প্রস্তুতিপর্ব যখন চলছিল তখন তিনি জানতে পারেন সন্তানসম্ভবা হওয়ার কথা, তাই প্রেগন্যান্সিটা বিয়ের কারণ কোনওভাবেই নয়। এবং চিকিত্‍সাগত কারণে আগে এই খবর জানাননি তিনি। অভিনেত্রী বলেন, ‘তখনই না জানানোর অন্য কারণ রয়েছে। চিকিৎসাগত কারণের জন্য চুপ থাকতে হয়েছিল আমাকে। সন্তানের সুরক্ষার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করেছি আমি। জীবনের সব থেকে সুন্দর মুহূর্তে রয়েছি এখন। চিকিৎসাগত কারণ ছাড়া আর কোনও কারণেই এই খবরটি লুকোনোর কোনও উদ্দেশ্য আমার নেই’। 

দিয়ার জবাব
দিয়ার জবাব

কেন এই প্রশ্নের জবাব দিলেন, সেকথাও জানালেন দিয়া। তিনি বলেন,সন্তানের জন্ম দেওয়া ভগবানের সবচেয়ে বড় আর্শীবাদ। এই বিষয়টির সঙ্গে কোনও লজ্জা জড়িয়ে থাকবার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। নরী হিসাবে নিজের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো উচিত, মনে করিয়ে দিলেন অভিনেত্রী। বিয়ে করে দম্পতি হিসেবে সন্তানের লালন-পালন করা হোক বা একা সন্তান মানুষ করা হোক, সেটা কারুর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সমাজে প্রচলিত রীতি আদৌ ঠিক না ভুল সেই আলোচনায় না গিয়ে, আমাদের নিজেদের ভাবা দরকার এই উচিত-অনুচিতের কথা'। 

১৫ ফেব্রুয়ারি পেশায় ব্যবসায়ী বৈভব রেখির  সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন দিয়া মির্জা। এর আগে সাহিল সাঙ্ঘার সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্কে আবদ্ধ ছিলেন দিয়া। ২০১৪ সালে তত্কালীন বিজনেস পার্টনার সাহিল সঙ্ঘাকে বিয়ে করেছিলেন দিয়া মির্জা। বিয়ের পাঁচ বছরের মাথায়, ২০১৯ সালের অগস্ট মাসে বিচ্ছেদের ঘোষণা সারেন দিয়া-সাহিল।

বন্ধ করুন