করোনা সচেতনতায় জয়পুর পুলিশের হাতিয়ার মাসাকলি ২.০
করোনা সচেতনতায় জয়পুর পুলিশের হাতিয়ার মাসাকলি ২.০

মাসাকলি ২.০-কে ট্রোল করে করোনা সচেতনতার অভিনব বার্তা পুলিশের

  • নেটিজেনদের হাতে নয় এবার জয়পুর পুলিশের হাতে ট্রোলের শিকার টি-সিরিজের নতুন সিঙ্গলস মাসাকলি ২.০। যে গানের দৃশ্যায়ণে মুখ্য ভূমিকায় দেখা গিয়েছে সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও তারা সুতারিয়াকে।

মুক্তির পর থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে মাসাকলি ২.০। এ আর রহমানের কম্পোজ করা দিল্লি ৬ ছবির মাসাকলির নতুন ভার্সন কিন্তু মন জোগাতে ব্যর্থ হয়েছে নেটিজেনদের একটা বড় অংশের। টি-সিরিজের এই সিঙ্গলসে দেখা মিলেছে বলিউডের মরজাওয়াঁ জুটি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা-তারা সুতারিয়ার। প্রকাশ্যে এ আর রহমান এই রিমেক নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এবার পুলিশের হাতে কটাক্ষের শিকার টিম মাসাকলি ২.০। জয়পুর পুলিশের তরফে করোনা সচেতনতায় হাতিয়ার করা হল মাসাকলি ২.০-কে। সর্তকবাণীতে তাঁরা জানিয়েছে লকডাউনে কেউ যদি ঘরের বাইরে এসে বিনা কারণে ঘুরে বেড়ায় তাহলে তাঁকে জোর করে বারবার এই গান শোনানো হবে শাস্তি স্বরূপ।


জয়পুর পুলিশের অফিসিয়্যাল টুইটার হ্যান্ডেল থেকে একটি ছবি পোস্ট করা হয়, যেখানে দেখা যাচ্ছে এক ব্যক্তিকে কানে হেডফোন গুঁজে কোনও অস্বস্তিকর মিউজিক শুনতে বাধ্য করা হচ্ছে। লেখা রয়েছে- 'যদি অপ্রয়োজনে আপনাকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় তাহলে এভাবেই ঘরবন্দি করে মাসাকলি ২.০ গান শোনানো হবে'। ক্যাপশন হিসাবে মসাকলি গানের লাইনে অল্প টুইস্ট দিয়ে উল্লেখ করে লেখা হয়েছে-‘মন উড়িয়ো, তু ডরিয়ো.. না কর মনমানী। ধর মে হি রহিহো না কর নাদানী’।

নেটিজেনরা হেসে কুটোপাটি খাচ্ছে জয়পুর পুলিশের এই সৃজনশীল টুইট দেখে। কারুর মতে-‘ মাসাকলি ২.০ করোনার থেকেও ভয়ঙ্কর’। কেউ বলছেন ‘দুর্দান্ত লেভেলের ট্রোলিং একেই বলে’।

মাসকলি ২.০ রিক্রেয়েট করেছেন তানিশক বাগচি। যিনি বলিউডের রিমেক বা রিক্রিয়েশন কিং নামেও পরিচিত। গানটি গেয়েছেন তুলসী কুমার এবং সাচেত টন্ডন।

মাসাকলির রিমেক নিয়ে একেবারেই খুশি নন অস্কারজয়ী সঙ্গীত পরিচালক, মাসাকলির স্রষ্টা এ আর রহমান। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে সেই চাপা ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন 'মোসার্ট অফ মাদ্রাজ'। বুধবার রাতে টুইটারের দেওয়ালে তিনি লেখেন, ‘আসল মাসাকলি শুনুন। কোনও শর্টকাট পথে নয়,সঠিকভাবে অনুমোদিত, নিদ্রহীনরাত্রি, লেখা শেষের পর ফের লেখা। ২০০ জন সঙ্গীতশিল্পী, ৩৬৫ দিনের সৃষ্টিশীল চিন্তাভাবনা-শুধুমাত্র একটাই লক্ষ্য এমন একটা সঙ্গীত তৈরি করা যেটা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করবে। একজন পরিচালক, একজন সঙ্গীত পরিচালক এবং গীতিকার-তাঁদের সাহায্য করেছেন অভিনেতা,নৃত্য পরিচালক(কোরিওগ্রাফার) এবং ছবির সঙ্গে যুক্ত অগুণতি কুশীলবরা। অনেক ভালোবাসা এবং প্রার্থনা- এ আর রহমান’।

বন্ধ করুন