HT বাংলা থেকে সেরা খবর পড়ার জন্য ‘অনুমতি’ বিকল্প বেছে নিন
বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Aindrila-Sabyasachi: শারীরিক কষ্ট ছিল খুব, মানসিক কষ্ট একটুও না! সব্যসাচীর কথা বলে চোখে জল ঐন্দ্রিলার
রূপকথাকেও হার মানাবে সব্যসাচী-ঐন্দ্রিলার গল্প।

Aindrila-Sabyasachi: শারীরিক কষ্ট ছিল খুব, মানসিক কষ্ট একটুও না! সব্যসাচীর কথা বলে চোখে জল ঐন্দ্রিলার

  • মারণ ব্যাধিকে হারিয়েছেন ঐন্দ্রিলা। ফিরেছেন স্বাভাবিক ছন্দে। মাস কয়েক আগে 'দিদি নম্বর ওয়ান'-এ সেই লড়াইয়ের কথাই বললেন অভিনেত্রী। সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন সব্যসাচীর পাশে থাকার আখ্যান।

গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কঠিন লড়াই লড়েছেন ঐন্দ্রিলা শর্মা। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত অভিনেত্রীর পাশে ছিলেন বন্ধু, প্রেমিক সব্যসাচী চৌধুরী। জীবন-মৃত্যুর দড়ি টানাটানির মাঝে দাঁড়িয়েছিলেন ঢাল হয়ে।

মারণ ব্যাধিকে হারিয়েছেন ঐন্দ্রিলা। ফিরেছেন স্বাভাবিক ছন্দে। মাস কয়েক আগে 'দিদি নম্বর ওয়ান'-এ সেই লড়াইয়ের কথাই বললেন অভিনেত্রী। সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন সব্যসাচীর পাশে থাকার আখ্যান। তুলে আনলেন এক বিশেষ দিনের স্মৃতি। বললেন, 'আমার দ্বিতীয় দিনের কেমো চলছে। আমি তখন চোখ বন্ধ করে আছি। হঠাৎ চোখ খুলে দেখি ও আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। চোখ খুলেই ওর মুখটা দেখলাম। একটা অদ্ভুত শান্তি অনুভব করলাম।'

কথা বলতে বলতে গলা ধরে আসে ঐন্দ্রিলার। চোখ ভিজে ওঠে অজান্তেই। তিনি বলেন, 'আমার চিকিৎসা চলাকালীন এত শারীরিক কষ্ট পেয়েছি। কিন্তু মানসিক কষ্ট এক ফোঁটাও ছিল না।'

এক ঢাল কালো চুল ছিল ঐন্দ্রিলার। ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য বিদায় জানাতে হয় সেই চুলকে। প্রেমিকার পাশে থাকতে নিজের লম্বা চুল ছোট করে কেটে ফেলেছিলেন সব্যসাচীও। সেই ছবিও সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন ইনস্টাগ্রামে। লিখেছিলেন, '‘৫ মাসে জীবন কতটা বদলে যায়? আর ব্যাড হেয়ার ডে-র সমস্যা থাকল না’।