জলসার ভিতর নিজের ভিনচেজ গাড়ির সামনে লেন্সবন্দী অমিতাভ (ছবি-টুইটার)
জলসার ভিতর নিজের ভিনচেজ গাড়ির সামনে লেন্সবন্দী অমিতাভ (ছবি-টুইটার)

ভিনটেজ গাড়ি উপহার পেলেন অমিতাভ বচ্চন, হলুদ ফোর্ডে চড়ে নস্ট্যালজিক বিগ বি

  • অমিতাভ বচ্চনের 'জলসা'র গ্যারেজে একটি গাড়ির সংখ্যা বাড়ল। এমনতি জলসায় লাক্সারি কারের কোনও অভাব নেই। সেখানে এবার যোগ হল বিগ বি-র বন্ধুর উপহার দেওয়া একটি ভিনটেজ হলুদ ফোর্ড গাড়ি।

অনেক সময় অনেক জিনিস আপনাকে চুপ করিয়ে দেয়। স্মৃতির সরণি বেয়ে আপনি ডুব দেন মধুর অতীতে। কিছু জিনিস নস্ট্যালজিক করে দেয় আপনাকে। তেমনই ঘটনা রবিবার ঘটল অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে। অভিনেতার বাড়ির গ্যারেজে একটি গাড়ির সংখ্যা বাড়ল। এমনতি জলসায় লাক্সারি কারের কোনও অভাব নেই। 'এক সে বরকর এক'- এসইউভি শোভা পায় সেখানে। তবে এটা একটু আলাদা। কারণ এটা ভিনটেজ কার। একটা হলুদ রঙের ফোর্ড গাড়ি এবার শামিল অমিতাভের গাড়ির তালিকায়। আর সেই নয়া অতিথির প্রশংসায় মন্ত্রমুগ্ধ বিগ বি। তিনি টুইটারের দেওয়ালে লেখেন, 'কিছু কিছু সময় থাকে যখন আপনি চুপ করে যান.. আমারও সেই অবস্থা.. নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে চাইছি কিন্তু পারছি না..একটা ফেলে আসা সময়ের কাহিনি..সময়ের উর্দ্ধে উঠার একটা ইশারা..'


এই গাড়িটি অমিতাভকে উপহার দিয়েছেন অনন্ত বলে তাঁর এক বন্ধু। আসলে পঞ্চাশের দশকে এলাহাবাদে থাকবার সময় বচ্চন পরিবারের প্রথম গাড়ি ছিল ফোর্ড কম্পানির এই মডেলের একটি গাড়ি। অমিতাভ নিজের ব্লগেই সে কথা লিখেছিলেন। সেটা জেনে অমিতাভের বন্ধু তাঁকে এই গাড়িটি উপহার দেওয়ার কথা ভাবেন। যেমন ভাবা, তেমন কাজ। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হল এই গাড়িরটার মডেলই শুধু এক নয়,রেজিস্ট্রেশন নম্বরটাও একই রেখেছেন বিগ বি-র বন্ধু।

১৯৩৮ থেকে ১৯৬০ সালের মধ্যে এটি তৈরি হত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডার মতো দেশের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা ছিল।

এই গাড়ি চালিয়ে জলসার বাইরে অমিতাভের ঘুরে বেড়ানোর ছবিও তাঁর ফ্যানেরা শেয়ার করে নিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই ছবিতেও অমিতাভের এক্সাইটেমন্টের অভিব্যক্তি স্পষ্ট।

বন্ধ করুন