বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Amitabh Bachchan: কেবিসি-তে মহিলা প্রতিযোগীকে ‘নিডর’ ঘোষণা করলেন অমিতাভ, এই সাহসী পদক্ষেপের কারণে!
কেবিসি নিয়ে এখন চর্চা চারদিকে। 

Amitabh Bachchan: কেবিসি-তে মহিলা প্রতিযোগীকে ‘নিডর’ ঘোষণা করলেন অমিতাভ, এই সাহসী পদক্ষেপের কারণে!

  • সোনি টিভি সোশ্যাল মিডিয়ায় কেবিসি-র একটা নতুন প্রোমো শেয়ার করেছেন তাতে দেখা যাচ্ছে এক মহিলা ৭৫ লাখ টাকার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আর সেই উত্তর ভুল হলে বাড়িতে নেবেন মাত্র ৩.২০ লাখ। 

অমিতাভ বচ্চনের ‘কৌন বনেগা ক্রড়োরপতি’-র ১৪ নম্বর সিজন আসছে খুব জলদি। আর এই সিজনের সবথেকে বড় চমক হল নতুন পরাও বা স্টেজ ৭৫ লাখ টাকার প্রশ্ন।

সোনি টিভি সোশ্যাল মিডিয়ায় কেবিসি-র একটা নতুন প্রোমো শেয়ার করেছেন তাতে দেখা যাচ্ছে এক মহিলা ৭৫ লাখ টাকার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আর যদি এই উত্তর ভুল হয় তাহলে বাড়িতে মাত্র ৩.২০ লাখ টাকা নিয়ে যেতে পারবেন। মানে লস হবে ৭০ লাখেরও বেশি। ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে ওই প্রতিযোগী এটাও বলেন, যেন তার বাড়ির লোক কিছু মনে না এতে। আর এই নির্ভয় স্বভাবই মুগ্ধ করে বিগ বিকে। প্রোমতে তাঁকে বলতেও শোনা যায় ‘নিডর’ (ভয়হীন) কথার নতুন অর্থ সেট করেছেন এই প্রতিযোগী।

২০১৩ সাল মানে কেবিসি-র ৭ নম্বর সিজন থেকে প্রাইজমানি রাখা হয়েছে ৭ কোটি। আর এবারের সিজনে তা বাড়িয়ে ৭.৫ কোটি করা হয়েছে ২০২২ সালে ভারতের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে। সম্প্রতি কেবিসি-র প্রেস কনফারেন্সে অমিতাভ জানিয়েছিলেন, উদ্যোগপতি থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার, যেভাবে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ কেবিসি-তে আসেন, তা তাঁকে মুগ্ধ করে।

টানটান এই প্রোমো মন কেড়ে নিয়েছে দর্শকদের। কেবিসি-তে অমিতাভের সঙ্গে এই রোলারকোস্টার রাউন্ডে অংশ নিতে তাঁরা পুরোপুরি তৈরি।

অমিতাভ প্রতিযোগীদের নিজের শো-র ‘আসল গৌরব’ ঘোষণা করে বললেন তাঁর কাজ তো শুধু কেবিসি-তে এসে প্রশ্ন করা। কিন্তু এখানে আসা প্রতিযোগীরা যেভাবে জীবনের প্রতি ঝোঁক দেখান, যেভাবে তাঁরা উত্তর দেন সেটাই আসলে প্রশংসাযোগ্য।

অমিতাভ আরও বলেন, ‘যখন কোনও প্রতিযোগী ভালো খেলে আমরা সকলে তাঁর প্রশংসা করি। এমনকী ব্রেকের সময় বা শট শেষ হলে পুরো ক্রু চলে আসে। সবাই কথা বলে কীভাবে খুব ভালো খেলেছে ওই প্রতিযোগী। এটা খুবই পরিপূরক। ওরাই এই শো-র আসল হিরো।’

শনিবার কেবিসি নিয়ে নিজের ব্লগে লিখেছিলেন বিগ বি। জানিয়েছিলেন কীভাবে তাঁর লেখা ‘করতে ইচ্ছে না থাকলেও করতে হয়’ লাইনকে লোক কেবিসির সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিল। অমিতাভ লিখেছিলেন, ‘ব্লগের জন্য সময় বের করা একটু মুশকিল হচ্ছে… অনিচ্ছাসত্ত্বেও কেবিসি-র প্রেস কনফারেন্স করতে হল… আর সেখানে একটা প্রশ্ন উঠে এল কেন আমি আগের ব্লগে লিখেছিলাম করার ইচ্ছে ছিল না কিন্তু তাও করতে হল, বা এরকমই কিছু কথা… আসলে প্রশ্নটা ছিল কেন আপনি কেবিসি করতে চান না, কিন্তু তাও ফিরে আসেন… (হাসির ইমোজি)… তবে প্রতিবারের মতো এবারও ওদের বুঝতে ভুল হয়েছে… এটা অবশ্যই কেবিসি-র জন্য ছিল না… এটা সেই চুলের জন্য যেটা আমার মুখে চিপকে গিয়েছিল সিনেমার মেকআপের সময়… আর আমি প্রতিজ্ঞা করি আমি এমন ছবি আর করব না যেখানে চুল আমার মুখে, দাঁড়িতে, গোঁফে চিপকাতে হয়… কিন্তু ফের সেই কাজ করি… পুরো যা তা…’

 

বন্ধ করুন