তেজি বচ্চন, জয়া, হরিবংশ রাই বচ্চন ও অমিতাভ (বাঁ দিক থেকে)
তেজি বচ্চন, জয়া, হরিবংশ রাই বচ্চন ও অমিতাভ (বাঁ দিক থেকে)

বাবা-মা ও স্ত্রীর সঙ্গে শোলের প্রিমিয়ারে অমিতাভ,'জয়াকে কি সুন্দর লাগছে!', বললেন নস্ট্যালজিক বিগ বি

  • বাবা-মা এবং জয়ার সঙ্গে শোলের প্রিমিয়ারের ছবি শেয়ার করলেন অমিতাভ। বললেন প্রিমিয়ারের অজানা গল্পও।

শোলে..যে ছবি বদলে দিয়েছিল হিন্দি চলচ্চিত্রের দিশা। মুক্তির ৪৫ বছর পরেও এই ছবির প্রতিটি ডায়লগ, গান-আজও ঘর করে রয়েছে সিনেপ্রেমীদের মনে। শোলে যথার্থ অর্থেই ভারতীয় চলচ্চিত্রের একটা মিথ। শোলে কেন্দ্রিক গল্পের জন্য আজও মুখিয়ে থাকে ছবিপ্রেমী মানুষরা। লকডাউনের মাঝেই নস্ট্যালজিয়া উস্কে শোলের প্রিমিয়ারের একটি ছবি প্রকাশ্যে আনলেন পর্দার জয় মানে অমিতাভ বচ্চন। ছবিতে অমিতাভের পাশাপাশি দেখা মিলল অমিতাভ পত্নী তথা শোলের রাধা জয়া বচ্চনের। পাশাপাশি ছবিতে রয়েছেন অমিতাভের বাবা হরিবংশ রাই বচ্চন এবং মা তেজি বচ্চন।


ছবির ক্যাপশনে অমিতাভ লিখেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ অগস্ট, মিনার্ভায় শোলের প্রিমিয়ারে। মা,বাবুজি, বো পরা আমি এবং জয়া.. কি সুন্দর দেখাচ্ছে জয়াকে...! এটা ছিল ৩৫এমএম-প্রিন্টের ছবি, ৭০এমএম-এর প্রিন্ট কাস্টম অফিসে আটকে ছিল,যখন সেটা এল ততক্ষণে প্রিমিয়ার শেষ!আমরা কেউ কেউ যদিও ছিলাম, এবং সেটাও দেখি রাত ৩টে পর্যন্ত!’

এই সাদা-কালো ছবিতে মা তেজি বচ্চনের কথা মন দিয়ে শুনতে দেখা গেল বিগ বি-কে। হবু শাশুরির দিকে তাকিয়ে তাঁর কথা শুনতে দেখা গেল জয়াকেও। থিয়েটারের ভিতরেই বসেছিলেন চারজন।

শোলে পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন রমেশ সিপ্পি। ছবির চিত্রনাট্য ও কাহিনি লিখেছিলেন সেলিম-জাভেদ জুটি। অমিতাভ-জয়া ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করেছেন বলিউডের অপর রিয়েল লাইফ জুটি ধর্মেন্দ্র-হেমা এবং আমজাদ খান।

পাশাপাশি শুক্রবারই অমিতাভ বচ্চনের ব্লগ ১২ বছর পূর্ণ করল। ২০০৮ সালের ১৭ এপ্রিল ব্লগ লেখা শুরু করেছিলেন বিগ বি। দেখতে দেখতে এতগুলো বছর পার করে ফেললেন অভিনেতা। তিনি নিজেও হতবাক মানুষজন তাঁর লেখা পড়ার জন্য এত সময় নষ্ট কীভাবে করে থাকে! তিনি টুইটারে লেখেন, অভাবনীয়! সত্যি পুরোপুরি অবিশ্বাস্য.. মানে আমার জন্য নয়, আপনাদের জন্য... কীভাবে একটানা ১২ বছর ধরে আমাকে সহ্য করছেন আপনারা!


বন্ধ করুন