বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > শোলে সাইন করার দিনই ছেলের জন্ম, এদিকে বউ-বাচ্চাকে বাড়ি আনার টাকা ছিল না আমজাদের
‘শোলে’-এর দৃশ্যে আমজাদ খান

শোলে সাইন করার দিনই ছেলের জন্ম, এদিকে বউ-বাচ্চাকে বাড়ি আনার টাকা ছিল না আমজাদের

  • একরত্তি ছেলে শাদাবকে কোলে নিয়ে হাসপাতালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে ছিলেন আমজাদের স্ত্রী। পরিচালক চেতন আনন্দ সেই সময় সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছিলেন। 

প্রয়াত অভিনেতা আমজাদ খানের ছেলে তথা অভিনেতা শাদাব খান। তাঁকে তাঁর বাবার ভাগ্যবান মাসকট বলা যায় কিনা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন শাদাব। আমজাদ যেদিন ‘শোলে’-এর জন্য় চুক্তি করেছিলেন সেই দিনেই শাদাবের জন্ম হয়।

এক নতুন সাক্ষাত্কারে, শাদাব প্রকাশ করেছেন আমজাদের কাছে তার মা শায়লা খানকে হাসপাতাল থেকে ছাড়ানোর জন্যও টাকা ছিল না সেই সময়। পরিচালক চেতন আনন্দ সেই সময় ৪০০ টাকা দিয়ে আমজাদ খানকে সাহায্য করেছিলেন। 

১৫ অগাস্ট, ১৯৭৫, ভারতের বক্সঅফিসে মুক্তি পেয়েছিল ‘শোলে’। লেখা হয়েছিল ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়। পরিচালক রমেশ সিপ্পির এই ছবি মুগ্ধ করেছে জেনারেশের পর জেনারেশনকে। সঞ্জীব কুমার ও আমজাদ খান ছাড়াও ছবিতে লিড রোলে অভিনয় করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন, জয়া বচ্চন, ধর্মেন্দ্র, হেমা মালিনী, জগদীপ প্রমুখ। ছবিতে ডাকাত গব্বর সিং-এর চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছান আমজাদ খান। 

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাদাব খান বলেন, ‘হ্যাঁ, তবে আমি যখন জন্মে ছিলাম মা (শায়লা খান)-কে হাসপাতাল থেকে ছুটি করিয়ে আনার মতো টাকা টুকুও ছিল না বাবার কাছে। মা কান্নাকাটি করছিলেন। লজ্জায় হাসপাতালেই যাচ্ছিলেন না বাবা। সেই সময় চেতন আনন্দ-এর হিন্দুস্তান কি কসম ছবিতে অভিনয় করছিলেন তিনি। সেটে এক কোণায় মাথায় হাত দিয়ে বসা ছিলেন বাবা। চেতন আনন্দ সাহেব তাঁকে ৪০০ টাকা দিয়েছেন যাতে আমার মা এবং আমি বাড়িতে আসতে পারি।’

শোলে-তে আমজাদের চরিত্র গব্বর সিং তাঁর সবচেয়ে স্মরণীয় চরিত্রে পরিণত হয়েছিল। ১৯৯২ সালে জুলাই মাসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান অভিনেতা। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৫১ বছর। শায়লা এবং আমজাদের তিন সন্তান- শাদাব, আহলাম খান এবং সীমাব খান।

বন্ধ করুন