স্বজনপোষণ নিয়ে মন্তব্য করে ট্রোল হলেন অনন্যা (আইএএনএস)
স্বজনপোষণ নিয়ে মন্তব্য করে ট্রোল হলেন অনন্যা (আইএএনএস)

স্বজনপোষণ নিয়ে মন্তব্য করে নেটদুনিয়ায় হাসির খোরাক অনন্যা পাণ্ডে

  • বি-টাউনের স্টারকিড অনন্যা পাণ্ডে নেপোটিজম সম্পর্কে নিজের মত জানাতে গিয়ে ট্রোলড হলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।
  • রাজীব মসন্দের শোতে নেপোটিজম সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বলেন,'আমার বাবা কোনওদিন ধর্মার ছবিতে অভিনয় করেনি, কোনওদিন কফি উইথ করণে যায়নি। আমার জার্নিটা অতটাও সোজা নয়, যতটা মানুষ ভাবে'।

নেপোটিজম বা স্বজনপোষণ বলিউডে পরিচিত অতিপরিচিত বিষয়। গত বছরও বলিউডে যে সব তারকার অভিষেক হয়েছে তাঁদের বেশিরভাগই স্টারকিড। সম্প্রতি বি-টাউনের স্টারকিড অনন্যা পাণ্ডে নেপোটিজম সম্পর্কে নিজের মত জানাতে গিয়ে ট্রোলড হলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ফিল্ম সমালোচলক রাজীব মসন্দের শোতে পৌঁছেছিলেন অনন্যা। নতুন মুখদের নিয়ে বছর শেষের রাউন্ডটেবিল আড্ডায় স্বজনপোষণ বিতর্ক নিয়ে মুখ খোলেন স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার টু-র নায়িকা। প্রযোজক করণ জোহরের স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার টু বলিউডে চানকি পাণ্ডে কন্যার প্রথম ছবি।

নিজের স্ট্রাগলের কথা বলতে গিয়ে অনন্যা পাণ্ডে জানান, ‘আমি সবসময়ই অভিনেত্রী হতে চাইতাম। আমার বাবা অভিনেতা এই কারণে নয়, আমি অভিনয়ের কোনও সুযোগকেই হাতছাড়া করিনি। আমার বাবা কোনওদিন ধর্মার ছবিতে অভিনয় করেনি, কোনওদিন কফি উইথ করণ শোতে যায়নি। আমার জার্নিটা অতটাও সোজা নয়, যতটা মানুষ ভাবে। সবার নিজস্ব একটা জার্নি রয়েছে,একটা লড়াই রয়েছে’।



কোনদিনও কোনও জিনিস হালকাভাবে নেন না চানকি পাণ্ডে কন্যা। অভিনেত্রীর কথায়, ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার যখন এক বছর পিছিয়ে গিয়েছিল, বাবা আমাকে ততদিন পর্যন্ত শুভেচ্ছা জানায় নি কারণ বাবা এই ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। সবকিছুই সম্ভব। অনেক ছবি ঘোষণা হয়েও তৈরি হয় না, আবার তৈরি হওয়ার পর বছরের পর বছর বাক্সবন্দি হয়ে পড়ে থাকে কিন্তু মুক্তি পায় না। আমার নিজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমার বাবাকে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। আমি অনেক সময়েই ভয়ে থাকি, হয়ত কেউ আমাকে বলবে তুমি সবকিছু খুব সহজভাবে পেয়ে গেছো তাই সব জিনিস হালকাভাবে নিচ্ছো! তাই আমি সব জায়গায় টাইমের আগেই পৌঁছে যাই, আমি সুযোগ পেয়েছি তাই নিজেকে ধন্য মনে করি’।

অনন্যার এই বক্তব্যের উপযুক্ত জবাব দেন গল্লি বয়ের এমসি শের,সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী। অভিনেতা মেনে নেন সকলেরই একটা নিজস্ব উঠাপড়ার জার্নি থাকে যেটা সহজ নয়। তবে স্টারকিড এবং ইন্ডাস্ট্রির বাইরের থেকে আসা নতুন মুখের পার্থক্য প্রসঙ্গে এক লাইনে সিদ্ধান্ত জানান, ‘যেখানে আমাদের স্বপ্নপূরণ হয়, সেখানে এদের(স্টারকিড)স্ট্রাগল শুরু হয়’।

সিদ্ধান্তের জবাবে নেটিজেনরা মুগ্ধ। একজন টুইটার ব্যবহারকারী লেখেন, 'আমার মন কাঁদছে ওর জন্য, এত স্ট্রাগল! বাবা কফি উইথ করণে যায় নি, বাহ! বিপিএল রেশন কার্ডের জন্য আবেদন জানানো উচিত’। অন্য একজন লেখে, 'এর মানে হল বলিউডের সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্তি কফি উইথ করণে মুখ দেখানো! জাতীয় পুরস্কার তো রসিকাতা মাত্র'।

বন্ধ করুন