বাড়ি > বায়োস্কোপ > 'ড্রাকুলা স্যার' অনির্বাণ পুলিশের হেফাজতে, কিন্তু কেন? টিজারে চমকে দিলেন অনির্বাণ-মিমি
এবার ড্রাকুলা স্যার হয়ে সামনে আসছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, সঙ্গী মিমি চক্রবর্তী (ছবি সৌজন্যে-ইউটিউব)
এবার ড্রাকুলা স্যার হয়ে সামনে আসছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, সঙ্গী মিমি চক্রবর্তী (ছবি সৌজন্যে-ইউটিউব)

'ড্রাকুলা স্যার' অনির্বাণ পুলিশের হেফাজতে, কিন্তু কেন? টিজারে চমকে দিলেন অনির্বাণ-মিমি

  • রক্তপাত থেকে রক্তপান- দুটোই কিন্তু স্বাস্থ্য এবং সমাজের পক্ষে ক্ষতিকারক। ভালোবাসার গল্পে, স্মৃতির শহরে একা রাক্ষস খুঁজে চলেছে তাঁর আশ্রয়। খোঁজ মিলবে তাঁর ঠিকানার? তাঁর প্রতিশোধের গল্প পরিণতি পাবে? এমনই সব প্রশ্ন নিয়ে হাজির ড্রাকুলা স্যারের টিজার।

ড্রাকুলা বা ভ্যাম্পায়ার নিয়ে হলিউডে কম ছবি হয়নি। তবে বাংলা ছবির ক্ষেত্রে তেমনটা বিরল। কিন্তু এবার ড্রাকুলা স্যার নিয়ে হাজির হচ্ছেন পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্য। তবে এটা কি সত্যি ড্রাকুলা নির্ভর ছবি? পরিচালকের কথায় বাঙালি ড্রাকুলার গল্প বলবে এই ছবি। যে ছবি বলবে 'রক্তপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক'। আদতে সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও মিমি চক্রবর্তীর এই ছবি। যেখানে প্রথমবার স্ক্রিন শেয়ার করে নেবেন টলিউডের এই দুই শিল্পী। শনিবার প্রকাশ্যে এল ড্রাকুলা স্যারের টিজার। যা রীতিমতো শিহরণ জাগায়।

দেখুন ড্রাকুলা স্যারের টিজার-

দেবালয়ের এই ছবিতে উঠে আসবে সত্তরের শহর কলকাতা, নকশাল পিরিয়ড। সেই সময়কার রাজনৈতিক-সামাজিক প্রেক্ষাপট। তাই টিজারের শুরুতেই অনির্বাণের কন্ঠে ফুটে উঠে- এ মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ নয়, এই এই বিস্তীর্ণ শ্মশান আমার দেশ না…'।

গল্পে এক গ্রামের প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক রক্তিমের ভূমিকায় রয়েছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য।যাকে সবাই ডাকে ড্রাকুলা স্যার বলে। কিন্তু কেন? তাঁর সামনের দাঁত (ক্যানাইল টিথ) দুটি লম্বা হওয়ায় সবাই তাকে ডাকে ড্রাকুলা স্যার বলে। হঠাত্ করেই রক্তিম পৌঁছে যায় পুলিশ হেফাজতে। পুলিশের জেরার মুখে সে। কিন্তু কেন? কী তার অপরাধ-ছবির টিজার দেখে বোঝা দায়। রক্তিমের মুক্তির লড়াইয়ে কেমনভাবেই বা জড়িয়ে পড়বে মঞ্জরী, যে ভূমিকায় রয়েছেন মিমি চক্রবর্তী তাও দেখবার বিষয়।


টিজারের একটি দৃশ্যে অনির্বাণ
টিজারের একটি দৃশ্যে অনির্বাণ

এই ছবির সঙ্গেই রূপোলি পর্দায় কামব্যাক করছেন মিমি চক্রবর্তী। সাংসদ হওয়ার পর এই প্রথম পর্দায় দেখা যাবে যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদকে। এর আগে ধনঞ্জয় ছবিতে একসঙ্গে কাজ করলেও স্ক্রিন শেয়ার করেননি মিমি-অনির্বাণ।

পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্য এর আগে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে জানিয়েছিলেন,‘ভ্যাম্পায়ার হতে গেলে তার(রক্তিমের) নিজের তো একটা গল্প প্রয়োজন, সে কারণেই ১৯৭১-এর প্রেক্ষাপট নিয়ে আসা। সেই গল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মঞ্জরী, যে চরিত্রে অভিনয় করছেন মিমি। সে এক নিঃসঙ্গ, বিষন্ন নারী’।

ছবির টিজারে দেখা মিলল রুদ্রনীল ঘোষেরও। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন দেবালয় এবং কল্লোল লাহিড়ি। ড্রাকুলা স্যারের মিউজিকের দায়িত্বভার সামলাচ্ছেন সাকি এবং অমিত-ইশান জুটি। ১লা মে মুক্তি পাবে ভেঙ্কটেশ ফিল্মস প্রযোজিত ড্রাকুলা স্যার।


বন্ধ করুন