বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > The Vaccine War: বিবেকের ‘দ্য ভ্যাকসিন ওয়ার’-এ নানার পর অনুপম, কাশ্মীর ফাইলসের পর আরেক ধামাকা

The Vaccine War: বিবেকের ‘দ্য ভ্যাকসিন ওয়ার’-এ নানার পর অনুপম, কাশ্মীর ফাইলসের পর আরেক ধামাকা

বিবেক অগ্নিহোত্রীর ‘দ্য ভ্যাকসিন ওয়ার’-এ থাকছেন অনুপম খের। 

২০২২ সালেই নতুন ছবি ‘দ্য ভ্যাকসিন ওয়ার’-ঘোষণা করে দিয়েছিলেন বিবেক অগ্নিহোত্রী। দিনকয়েক আগে নানা পাটেকরকে দেখা গিয়েছিল লখনৌতে সিনেমার শ্যুট করতে। এবার সেই টিমে যোগ দিলেন অনুপম খের। 

২০২২ সালে বলিউডকে হিট উপহার দিয়েছিলেন পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। এবার ২০২৩-এও আসছে তাঁর আরেক ধামাকা। ইতিমধ্যেই ‘দ্য ভ্যাকসিন ওয়ার’ ছবির ঘোষণা সেরে ফেলেছেন তিনি। এবার বর্ষীয়ান অভিনেতা অনুপম খের জানালেন এই ছবিতে থাকছেন তিনি। আর এটাই হতে চলেছে তাঁর ৫৩৪তম ছবি। আপাতত লখনৌ, উত্তরপ্রদেশে চলছে শ্যুটিং। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে দেখা মিলবে নানা পাটেকরের।

ছবির ঘোষণা করতে গিয়ে অনুপম ক্ল্যাপ বোর্ডের সঙ্গে নিজের একটা ছবি শেয়ার করেছেন। ক্যাপশনে লিখলেন, ‘আমার ৫৩৪তম ছবির ঘোষণা করছি!!! #দ্য ভাকসিন ওয়ার, পরিচালনায় বিবেক অগ্নিহোত্রী, চিত্তাকর্ষক ও অনুপ্রেরণামূলক। জয় হিন্দ।’

অনুপমের এই পোস্টে ছেলে সিকন্দর মন্তব্য করলেন, ‘গুড লাক’। এক ভক্তর মন্তব্য, ‘এটা দেখার অপেক্ষায় আছি। জানি ভালো হবে।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘আশা করি পুঙ্খনাপুঙ্খ গবেষণা করে বানানো হবে এই ছবিখানা। কোনও উপর উপর দিয়ে বানানো দেশাত্ববোধের ছবি হবে না।’ তৃতীয়জন লিখলেন, ‘অনুপমজি আজকাল খুব ভালো ভালো ছবি বাছছেন।’

দিনকয়েক আগে লখনৌতে ‘দ্য ভ্যাকসিন ওয়ার’ ছবির শ্যুট করছিলেন। রিপোর্ট অনুসারে বিবেকের স্ত্রী পল্লবী জোশিও এই সিনেমায় শ্যুট করবেন, কাশ্মীর ফাইলসে নিজের অভিনয় দিয়ে সকলের মন জয় করার পর।

আপাতত খবর রয়েছে কোভিড ১৯-এর সময় ভারতের ভ্যাকসিন বানানো নিয়েই এই ছবি। যা মুক্তি পাওয়ার কথা চলতি বছরে স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে, তাও আবার ১১টি ভাষায়। জন আব্রাহামের সিনেমা তারিখ-এর সঙ্গে হবে এই সিনেমার মুখোমুখি সংঘর্ষ। এখন কোনটা সেইসময় বক্স অফিসে কামাল দেখায় সেটা দেখার অপেক্ষা। যদিও বক্স অফিসের নতুন ট্রেন্ড ফলো করলে পাল্লা বিবেকের দিকেই ভারি।

এই সিনেমার ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে বিবেক এর আগে জানিয়েছিলেন, ‘কেভিড ১৯ লকডাউনের সময় যখন কাশ্মীর ফাইলসের কাজ পিছিয়ে যায়, তখন আমি এটা নিয়ে গবেষণা করছিলাম। এরপর আমরা ICMR ও NIV-এর বিজ্ঞানীদের উপরে গবেষণা শুরু করি যাদের জন্য এই টিকা সম্ভবপর হয়েছে। তাঁদের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের গল্প মনে জায়গা করে নেয়। এবং আমরা বুঝতে পারি কীভাবে এই মানুষগুলো শুধু বিদেশী সংস্থাগুলির সঙ্গে নয়, এমনকী আমাদের নিজেদের লোকেদের সঙ্গেও যুদ্ধ করেছিল। তবুও, আমরা দ্রুততম, সস্তা এবং নিরাপদ ভ্যাকসিন তৈরি করে পরাশক্তির বিরুদ্ধে জয়ী হয়েছি। আমি তখনই ভেবে রেখেছিলাম এই গল্পটি বলা উচিত যাতে প্রত্যেক ভারতীয় তাদের দেশ নিয়ে গর্ব অনুভব করতে পারে।’

 

বন্ধ করুন