বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > লক্ষ্মী কাকিমা: TRP-র সেরা হয়ে কেমন লাগছে অপরাজিতার,‘২৫ বছর টিকে আছি কাজের জন্য’
লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টার সেরা হওয়ায় কী বলছেন অপরাজিতা? 

লক্ষ্মী কাকিমা: TRP-র সেরা হয়ে কেমন লাগছে অপরাজিতার,‘২৫ বছর টিকে আছি কাজের জন্য’

  • TRP-তে হারানো স্থান ফিরে পেয়েছে জি বাংলা। ‘মিঠাই’, ‘গাঁটছড়া’, ‘ধুলোকণা’-কে পিছনে ফেলে চলতি সপ্তাহে এক নম্বরে ‘লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টার’।

চলতি সপ্তাহের টিআরপি-র ফল দেখে যেন নড়চড়ে বসেছে বাংলা ধারাবাহিকের দর্শকরা। ‘মিঠাই’, ‘গাঁটছড়া’, ‘ধুলোকণা’ নিয়ে যতই মাতামাতি হোক না কেন, কামাল করেছে ‘লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টার’। টিআরপি তালিকায় সর্বোচ্চ জায়গা পেল জি বাংলার এই ধারাবাহিক। 

এখানেই শেষ নয়, চলতি সপ্তাহে বাজিমাত করেছে ‘দিদি নম্বর ১’-ও। ৯.৫ নম্বর পেয়েছে। গত রবিবার এক বিশেষ এপিসোডে হাজির ছিলেন অপাজিতা আঢ্য, দেবশঙ্কর হালদার-সহ ধারাবাহিকের টিম। সেইদিন সর্বোচ্চ টিআরপি পেয়েছিল রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই গেম শো। মানে এককথায় বলতে গেলে এখন শুধুই লক্ষ্মী কাকিমার জয়জয়কার। 

কেমন লাগছে টিআরপি-র সেরার জায়গা ছিনিয়ে নিতে, প্রশ্ন করা হলে লক্ষ্মী কাকিমা ওরফে অপরাজিতা জানান, ‘আমি, দেবুদা, আমরা যে কাজটা করি, ভালোভাবেই করার চেষ্টা করি। ইন্ডাস্ট্রিতে ২৫ বছর টিকে আছি নিজের কাজের জন্যই। আসলে টিআরপি-টা অনেকটা সাপ আর লুডোর মতো। কেউ সাপের মুখে পড়বে কেউ আবার মই বেয়ে এগিয়ে যাবে। কেউ এগোবে, কেউ পিছোবে, এটা চলতেই থাকবে।’

অপরাজিতা মনে করেন, টিআরপি-তে ভাল ফল পেলে সেটে অনেক এনার্জি থাকে। বিশেষ করে নতুন যারা আসছেন-টেকনিশিয়ানদের। তাঁরা উদ্বুদ্ধ হন। চ্যানেল ও প্রযোজকদের ব্যবসায়িক উন্নতি হয়। তবে টিআরপি নিয়ে এই মারামারি তাঁর উপরে খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারে না। আসলে তিনি সবার সঙ্গে ভালোভাবে কাজ করায় বিশ্বাসী। কিন্তু এই টিআরপি-তে এগিয়ে সকলকে আনন্দ পেতে দেখলে তিনিও খুশি হন। 

লক্ষ্মী কাকিমার বউমা হংসিনী ওরফে অভিনেত্রী শার্লি মোদক এই প্রসঙ্গে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে জানিয়েছে, ‘অপাদি (অপরাজিতা আঢ্য) প্রচণ্ড খুশি। আগের সপ্তাহে চ্যানেল টপার হওয়ার পরও উনি খুব খুশি হয়েছিলেন। অপাদি আসলে খুব টেনশনে থাকেন বৃহস্পতিবার। শুরুরদিকে উনি বলতেন, এই দিনটাতে তোরা আমাকে (শ্যুটিং-এর) কল দিবি না। আমার খুব টেনশন হয়। গত কয়েক সপ্তাহে আমাদের টিম টিআরপি তালিকায় উপরের দিকে আছে, তারপর থেকে অপাদি একটু নিশ্চিন্ত। তা না হলে উনি এতটা ট্রমাটাইজড থাকেন টিআরপি নিয়ে। ফোন করে ওঁকে সকালবেলা আমরা টপে আছি বললেও উনি সেটাও বুঝতে পারেন না। কিছুটা ধাতস্থ হওয়ার পর বোঝেন আমরা সেরা হয়েছি, তখন খুব খুশি'।

 

বন্ধ করুন