বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Aparajito: অপর্ণা সেন থেকে সৃজিত, অপরাজিতর স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে চাঁদের হাট
অপরাজিতর স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে চাঁদের হাট। নিজস্ব ছবি
অপরাজিতর স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে চাঁদের হাট। নিজস্ব ছবি

Aparajito: অপর্ণা সেন থেকে সৃজিত, অপরাজিতর স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে চাঁদের হাট

  • গার্গী রায় চৌধুরী, বরুণ চন্দ, সৃজিত, মিথিলা, অপর্ণা সেন, কল্যাণ রায়, বিক্রম ঘোষ, জয়া শীল স্পেশাল স্ক্রিনিং দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন। অপর্ণা সেন সংবাদমাধ্যমের সামনে সেভাবে মুখ না খুললেও সৃজিত ছবিটি দেখে বেরিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ভালো লাগার কথা প্রকাশ করেন।

অরুণাভ রাহারায়: শুক্রবার মুক্তি পেল অনীক দত্তর নতুন ছবি অপরাজিত। সত্যজিৎ রায়ের জীবনের একটা বিশেষ অংশকে পর্দায় তুলে ধরেছেন অনীক। গতকাল ছবিটি প্রথমবার দর্শদের দেখানোর আগে শহরের এক রেস্তোরাঁয় যেন চাঁদের হাট বসে। ছবির কালাকুশলী প্রায় প্রত্যেকেই উপস্থিত ছিলেন। অনেক দিনের অপেক্ষার অবসান হল। এ ছবিতে নানা ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বহু অভিনেতা। মুখ্যচরিত্র জিতু কলম এবং ছবিতে তাঁর স্ত্রী সায়নী ঘোষ তো উপস্থিত ছিলেনই, পাশাপাশি ছিলেন এমন কয়েকজন অভিনেতা যাঁদের মূলত অনীক দত্তর ছবিতেই বেশি দেখা যায়।

একেবারেই ছোট একটি রোলে আছেন উদয়শঙ্কর পাল। ট্রেলারে তাঁকে আগেই দেখেছিল দর্শক। যেখানে দেখা যাচ্ছে অপরাজিত রায়ের বিরুদ্ধে জটলা। উদয় বাবু বলছেন, 'এরা নাকি একটা যুগান্তকারী বই বানাবে, যেখানে হিরো হিরোইন নাচা গানা কিছুই নেই'। তখনই পাশ থেকে একজন বলে ওঠে, 'ওই যে একটা ঢ্যাঙা, তাইল গাসের মতো, ওইটা কেডা?' এবার উদয়শঙ্কর বলেন, 'ওটাই তো পালের গোদা ডাইরেক্টর'। ব্যাস, এটুকুতেই বোঝা যায় সত্যজিৎ রায়কেও সেই সময় সমাজের তিরস্কার পেতে হয়েছিল। বড় পর্দায় দৃশ্যটি দারুণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন অনীক দত্ত।

গার্গী রায় চৌধুরী, বরুণ চন্দ, সৃজিত, মিথিলা, অপর্ণা সেন, কল্যাণ রায়, বিক্রম ঘোষ, জয়া শীল স্পেশাল স্ক্রিনিং দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন। অপর্ণা সেন সংবাদমাধ্যমের সামনে সেভাবে মুখ না খুললেও সৃজিত ছবিটি দেখে বেরিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ভালো লাগার কথা প্রকাশ করেন। অভিনেত্রী জয়া শীল সংবাদমাধ্যমের সামনে জানান, ছবিটি তাঁর বেশ ভালো লেগেছে।

বাংলার নানা প্রেক্ষাগৃহে অপরাজিত দেখা যাচ্ছে। তবে নন্দনে এখনও জায়গা না-পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিচালক থেকে শুরু করে মমতা ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ।। যদিও বিদ্বজনের একাংশের প্রশংসা কারণেই হয়তো যারা এখনও ছবিটি দেখনেনি, তারা দ্রুতই দেখে ফেলবেন-- এমনই আশা করছেন অনেকে। তবে সত্যজিৎ রায়ের স্মৃতি বিজড়িত নন্দনে অপরাজিত দেখানো হলে তা যে সবচেয়ে ভালো হত-- এ কথা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

বন্ধ করুন