বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > জেকে ১৯৭১: কলকাতায় আমান রেজা, পাক বিমান হাইজ্যাকের বাস্তব ঘটনা এবার পর্দায়
কলকাতায় শ্যুটিং সারলেন আমান 
কলকাতায় শ্যুটিং সারলেন আমান 

জেকে ১৯৭১: কলকাতায় আমান রেজা, পাক বিমান হাইজ্যাকের বাস্তব ঘটনা এবার পর্দায়

  • এ এক অন্যরকম বিমান হাইজ্যাকের কাহিনি, ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন এপার বাংলার শুভ্র সৌরভ দাশ ও সব্যসাচী চক্রবর্তী। 

মাসখানেক ধরেই সংবাদ শিরোনামে থেকেছেন ওপার বাংলার এই নায়ক। মাদককাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া পরীমনির আইনজীবী দলে ছিলেন আমান রেজা। বিপদের দিনে বন্ধুর পাশে দাঁড়ানোয় সবমহলেই প্রশংসিত হয়েছেন আমান। সম্প্রতি কলকাতায় হাজির হয়েছেন তারকা। ছবির শ্যুটিংয়ের কাজেই তিলোত্তমায় পৌঁছেছেন ওপার বাংলার এই সুদর্শন নায়ক। জাতীয় পুরস্কার জয়ী পরিচালক ফাখরুল আরেফিন খানের ‘জেকে ১৯৭১’ ছবির শ্যুটিং-এ কলকাতায় এসেছেন আমান। পাক বিমান ‘সিটি অব কুমিল্লা’ বোয়িং-৭২০বি হ্যাইজ্যাকের প্রচেষ্টা করা হয়েছিল ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর। প্যারিসের অরলি বিমানবন্দরে এই প্লেন হাতানোর চেষ্টা করেছিলেন ফরাসি যুবক জঁ ক্যা। কিন্তু তাঁর সেই চেষ্টার পিছনের কারণ চমকে দেওয়ার মতো! 

সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটেই সাজানো হয়েছে ‘জেকে ১৯৭১’-র কাহিনি। ছবিতে জঁ ক্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন কলকাতার অভিনেতা শুভ্র সৌরভ দাশকে। ছবিতে কাজ করছেন দুই বাংলার শিল্পীরা। থাকছেন সব্যসাচী চক্রবর্তী, আমান রেজা, ইন্দ্রজিত মজুমদার, মজনুন মিজানরা। 

কলকাতায় এই নিয়ে ছ নম্বর ছবির শ্যুটিং সারলেন আমান। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে আমান জানালেন, ‘এখানে কাজ করে বরাবরই ভালো লাগে। সুন্দর মনের মানুষজন এখানে কাজ করেন, তাঁরা সকলেই খুব পেশাদার, দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা’। ছবিতে এই বিমানের এক যাত্রীর চরিত্রে দেখা যাবে আমানকে। তিনি জানালেন, ‘ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তৈরি ছবি। হ্যাইজাকারের আসল উদ্দেশ্য যখন আমরা জানতে পারি, তখন তাঁর প্রতি ভক্তি-শ্রদ্ধা অনেক বেড়ে গিয়েছিল’। কো-স্টার সব্যসাচী চক্রবর্তী সম্পর্কে আমান বলেন, ‘খুব পজেটিভ একজন মানুষ। ওঁনার সঙ্গে দ্বিতীয় কাজ আমার, এর আগে গণ্ডী ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলাম, দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা’। 

জঁ চেয়েছিলেন হাইজ্যাক করা বিমানে ওষুধ আর চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ে বাংলার শরণার্থী শিবিরে পৌঁছে দিতে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এভাবেই শরিক হতে চেয়েছিলেন এক ফরাসি তরুণ। পাইলটের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তিনি দাবি রেখেছিলেন, বিমানটিতে করে যাতে ২০ টন ওষুধ ও চিকিত্সাসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয় শরণার্থী শিবিরে। বোমা মেরে বিমান ওড়ানোর হুমকি দিলেও তাঁর সঙ্গে কোনও বোমা ছিল না, পরবর্তী সময়ে ফরাসি সেনার হাতে গ্রেফতার হন জঁ। যদিও ফরাসি সরকার তাঁর দাবি পূরণ করেছিল। রেডক্রস ও আরেক ফরাসি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘অর্ডি দ্য মানতে’র সহায়তায় ওষুধ ও চিকিত্সাসামগ্রী পৌঁছেছিল শরণার্থী শিবিরে। 

বন্ধ করুন