পয়লা বৈশাখের প্ল্যানিং শেয়ার করলেন অঙ্কুশ (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
পয়লা বৈশাখের প্ল্যানিং শেয়ার করলেন অঙ্কুশ (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

মায়ের হাতের রান্না খেয়েই নতুন বছরকে স্বাগত জানাবেন অঙ্কুশ

  • এবছর বাঙালির পয়লা বৈশাখ আক্ষরিক অর্থেই একলা। তবে গৃহবন্দির ভালো দিক বলতে একটাই-পরিবারের সঙ্গে কাটছে পুরো সময়টা। নতুন বাংলা বছরের প্রথম দিন মায়ের হাতের রান্না খেয়েই কাটাবেন অঙ্কুশ হাজরা।

করোনা সংকটে থমকে গেছে জীবন।বাড়ির চার দেওয়াল এখন সুস্থ থাকার লক্ষণরেখা। এখন লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন থেকে অনেক দূরে অঙ্কুশ। পরিবারের মাঝেই কাটছে গোটা দিন। নতুন বাংলা বছরের প্রথম দিন কী কী প্ল্যান রয়েছে টলিউডের এই হ্যান্ডসাম 'ভিলেন'-এর। শেয়ার করে নিলেন HT Bangla-র সঙ্গে।


'পয়লা বৈশাখে মায়ের হাতের স্পেশ্যাল রান্না খাবো'

করোনার জেরে ঘরবন্দি হয়ে কাটালেও পরিবারের সঙ্গে পুরোপুরি সময়টা কাটাতে পারছি সেটা ভেবে ভালো লাগছে। তাই মায়ের হাতের স্পেশ্যাল কিছু রান্না খাব- এটাই আমার এবছরের পয়লা বৈশাখের প্ল্যানিং। পনিরের ডাল, কষা মাংস, একটু শুকনো শুকনো আলু পোস্ত-এগুলো মায়ের হাতের তৈরি সবচেয়ে ফেবারিট খাবার আমার। একটু ঘি থাকলে ব্যাপারটা পুরো জমে যায়। সেরা বিষয় হল কোনও শ্যুটিং নেই, অ্যাসাইনমেন্ট নেই- নববর্ষের দিন বাড়ির লোকের সঙ্গে হই হুল্লোড় আর আড্ডা-ব্যাস এটাই।

'পয়লা বৈশাখের স্মৃতি মানেই বর্ধমান'

পয়লা বৈশাখের স্মৃতি মানেই আমার কাছে বর্ধমানে কাটানো ছেলেবেলার সেই দিনগুলো। সেই সময় বর্ধমানে সব মাসি-পিসির ছেলেমেয়েরা একসঙ্গে জড়ো হতাম। এখন সবাই আলাদা, কেউ বিদেশে কেউ অন্য শহরে। তবে সেই দিনগুলোর স্মৃতিগুলো আজও মনের ভিতর তাজা। প্রচুর খাওয়া দাওয়া-খেলাধুলো-আড্ডার মধ্যে দিয়ে বর্ধমানে কাটাতাম বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিনটা।

পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে  অঙ্কুশ (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে অঙ্কুশ (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

'আগামী দিনে ভালো থাকতে প্রশাসনের কথা মেনে চলুন'

ফ্যানেদের একটাই কথা বলব জানি এই নববর্ষের শুরুটা হয়ত শুভ নয়, কিন্তু সারা বছর যাতে ভালো কাটে সেটা কিন্তু আমাদের হাতে। সেই চেষ্টাটা আমাদের করতে হবে। সরকার, প্রশাসন,চিকিত্সকরা যে পরামর্শ দিচ্ছে সেগুলো আমাদের মেনে চলতে হবে। দয়া করে কেউ অকারণে বাইরে বেরিয়ো না। তাহলেই আগামী দিনগুলো আমরা সুস্থভাবে কাটাতে পারব। শুভ নববর্ষ সকলকে।


বন্ধ করুন