বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘পড়াশোনার সঙ্গে ১৬-১৮ বছর বয়স থেকে কাজ করুক ছেলে’, কেন এমনটা চান ভারতী জানেন?
ছেলে লক্ষ্যর সঙ্গে ভারতী এবং হর্ষ

‘পড়াশোনার সঙ্গে ১৬-১৮ বছর বয়স থেকে কাজ করুক ছেলে’, কেন এমনটা চান ভারতী জানেন?

  • ছেলে লক্ষ্য ওরফে গোলা যেন ১৬ অথবা ১৮ বছর বয়সের পর থেকেই যেন কাজ শুরু করে, এমনটাই চান ভারতী সিং। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেকথা ফাঁস করেছেন তিনি।

গত এপ্রিলে মা হয়েছেন কমেডি কুইন ভারতী সিং। ভারতী এবং হর্ষ লিম্বোচিয়ার কোল আলো করে এসেছে পুত্র সন্তান। শ্যুটিংয়ের ফাঁকে এখন বেশির ভাগ সময় একরত্তি ছেলের সঙ্গেই কাটাচ্ছেন এই জুটি। নেটমাধ্যমের পাতায় ছেলের সঙ্গে ছবি এবং ভিডিয়োও শেয়ার করছেন তাঁরা। 

সম্প্রতি অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়ার সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে লাইভ সেশন ‘Freedom To Feed’-এ ধরা দেন ভারতী। সেখানেই নানা অজানা কথা ফাঁস করেন কমেডি কুইন। বলেন, তিনি চান ছেলে লক্ষ্য ওরফে গোলা যেন ১৬ অথবা ১৮ বছর বয়সের পর থেকেই যেন কাজ শুরু করে। 

একরত্তি লক্ষ্যের জন্য কাজ নেওয়া এবং কাজ করার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ভারতী বলেছিলেন, ‘হর্ষ এবং আমি দুজনেই সীমিত কাজ নিচ্ছি। এখন নতুন প্রজেক্ট হাতে নেওয়ার আগে আমরা অনেক চিন্তাভাবনা করি। হ্যাঁ, কাজও অপরিহার্য। কারণ আমাদের তো খরচ চালানোর ব্যাপার আছে। আমরা মনে করি আমাদের ওকে মানুষ করতে হবে, এরপর একটা সময় পর গিয়ে ও নিজেরটা জোগাড় করতে পারবে।’

আরও পড়ুন: 'ওর চেয়ে ভালো জেরি…', নয়নতারার মুখে জেরিকে নিয়ে মন্তব্য শুনে কী বললেন জাহ্নবী?

তিনি আরও যোগ করেন, ‘জানো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাচ্চারা স্কুলে যায় পাশাপাশি ফাঁকা সময়ে কাজও করে? আমি সেই জীবনধারার পক্ষে। আমি বিশ্বাস করি একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে বাবা-মায়ের কাছে হাত পাতার প্রয়োজন নেই। নিজের সাবলম্বী হওয়া জরুরি, ১৬ থেকে ১৮-র পর। ভারতী সিংয়ের ছেলের পড়াশোনা করা উচিত এবং ম্যাকডোনাল্ডসেও কাজ করা উচিত। ভারতীর মেয়ের উচিত পড়াশোনা করা এবং সেলুনে কাজ করা, লোকেদের গাইড করা এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া (হয়ত)। আমার বাচ্চারা পার্টটাইম কাজ করলে আমি খুশি হব। কারণ আজকাল বেঁচে থাকা খুব কঠিন, বিশেষ করে মুম্বইয়ের মতো শহরে।'

আরও পড়ুন: হাতে আগুন নিয়ে খেলছেন রণবীর, আলোর বর্ণনা করছেন আলিয়াকে! রইল ‘দেবা দেবা’র ঝলক

ভারতী আরও বলেছিলেন যে সন্তান হওয়ার কারণে তার সুখ দ্বিগুণ বেড়েছে। তাঁর কথায়, ‘তাদের বলি, যারা আমায় বলেছিল বাচ্চা হওয়ার পরে আমার জীবন শেষ হয়ে যাবে- আপনি ভুল করছেন। আমার খুশি দ্বিগুণ বেড়েছে, আমার হাসি দ্বিগুণ বেড়েছে। আমার কাছে কমেডির জন্য দ্বিগুণ বিষয়বস্তু রয়েছে, আমার কাছে সন্তানের বিষয়ে কথা বলার মতো জিনিসও রয়েছে।’

ছেলে জন্মের ১২ দিনের মাথায় কাজে যোগ দিয়েছিলেন ভারতী। সেই সময় প্রচুর সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন তিনি। কমেডি কুইনের কথায় লোকেরা বলত, 'আপনি কেন মা হলেন যখন আপনার টাকার প্রয়োজন... একরত্তির এখন মায়ের দুধের প্রয়োজন, আপনার মঞ্চের দরকার নেই' একজন কৌতুক অভিনেতাকেও মানুষ ঘৃণা করতে পারে দেখে আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম।'

বন্ধ করুন