বাবার দেখানোর পথে বলিউডে প্রবেশ করলেও অভিনেত্রী হিসেবে কখনওই জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেননি টুইঙ্কল খান্না। বক্স অফিসে যখন একের পর এক সিনেমা মুখ থুবড়ে পড়তে শুরু করে, ঠিক তখনই বই লেখার প্রতি আগ্রহ জন্মায় অভিনেত্রীর। লেখিকা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত তাঁর যে একেবারেই ভুল ছিল না তা প্রমাণ হয়ে যায় বেশ কিছু বছরের মধ্যেই।
আমির খানের বিপরীতে ‘মেলা’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন টুইঙ্কল। সিনেমাটি বক্স অফিসে সাফল্য অর্জন না করতে পারায় অবশেষে অক্ষয় কুমারকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ২০০১ সালে সাত পাকে বাঁধা পড়েন অভিনেত্রী। অভিনয় ছেড়ে দেন তিনি। এসব কটা সিদ্ধান্তই যে তিনি একেবারে সঠিক নিয়েছিলেন, তা বেশ স্পষ্ট হয়ে যায় কিছু বছরের মধ্যেই।
আরও পড়ুন: হোম ডেলিভারি করে সংসার চালায় স্ত্রী! ‘ব্যর্থতার বোঝা’য় লেখা ছেড়েছেন জয় গোস্বামী, কেমন আছেন কবি?
অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার পর বই লেখায় মন দেন রাজেশ কন্যা। একের পর এক বই লিখে সমালোচকদের কাছে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। বহু পুরস্কারে পুরস্কৃত হয়েছেন অভিনেত্রী। এবার ‘ওয়েলকাম টু প্যারাডাইস’ বইটির জন্য ফের পুরস্কার পেলেন টুইঙ্কল।
টুইঙ্কলের এই বইটি ২০২৪ সালের জনপ্রিয় ফ্যাশন বিভাগে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। টুইঙ্কলের এই সফলতার কথা জানিয়ে তিনি নিজেই ভিডিয়ো একটি পোস্ট করেন ইনস্টাগ্রামে। সোমবার এই ভিডিয়োটি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন অভিনেত্রী, যেখানে দেখা যায় তাঁর সদ্য পুরস্কৃত বইয়ের পাশে তাঁর পাওয়া পুরস্কার এবং তাঁর প্রিয় কুকুর। ব্যাকগ্রাউন্ডে কুইন্স উই আর দ্যা চ্যাম্পিয়ন্স, গানটি বাজতে শোনা যায়।
ভিডিয়োয় অভিনেত্রীকে পুরস্কার পেতেও দেখা যায়। পুরস্কার পেয়ে টুইঙ্কল হাসিমুখে ক্যামেরার সামনে পোজ দেন। পুরস্কার নেওয়ার সময় অভিনেত্রীর পরনে ছিল প্রিন্টেড একটি সালোয়ার শ্যুট। ভিডিয়োটি পোস্ট করে ক্যাপশনে টুইঙ্কল লেখেন, ওয়েলকাম টু প্যারাডাইস ক্রসওয়ার্ড বুক অ্যাওয়ার্ড ২০২৪ জিতে নিল। চলুন সেলিব্রেট করি।
টুইঙ্কলের এই পোস্ট শেয়ার করে অক্ষয় নিজের Instagram স্টোরিতে লেখেন, আমার স্ত্রী আক্ষরিক অর্থেই ট্রফি বউ। ওর নিজের যোগ্যতায় সবকিছু অর্জন করেছে ও। ওকে পাসওয়ার্ড পপুলার চয়েস অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী হতে দেখে আমি ভীষণ গর্বিত।
আরও পড়ুন: প্রথম বউকে তালাক না দিয়ে ফের বিয়ে, মেলেনি সন্তানসুখ! ৪০ ছুঁল জাভেদ-শাবানার দাম্পত্য
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে টুইঙ্কল খান্না ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের গোল্ডস্মিথসে ফিকশন রাইটিং-এ মাস্টার্স করতে গিয়েছিলেন এবং সম্প্রতি তিনি ইউনিভার্সিটি থেকে তাঁর ডিগ্রী অর্জন করেছেন।