বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Gulshan Kumar Murder: দাউদ মার্চেন্টের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা বহাল থাকল
আব্দুলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা বহাল রাখল বোম্বে HC
আব্দুলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা বহাল রাখল বোম্বে HC

Gulshan Kumar Murder: দাউদ মার্চেন্টের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা বহাল থাকল

  • আদালতের রায়ে স্বস্তির নিশ্বাস গুলশন কুমারের পরিবারের। 

‘টি সিরিজের’ প্রতিষ্ঠাতা গুলশন কুমারের খুনে দোষী সাব্যস্ত আব্দুল রউফ মার্চেন্ট ওরফে দাউদ মার্চেন্টের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা বহাল রাখল বম্বে হাইকোর্ট। আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে, সাজায় ছাড় চেয়ে আবেদন জানিয়েছিল আব্দুল। তবে, বৃহস্পতিবারের রায়ে আগের সাজাই বজায় রাখল হাইকোর্ট। আব্দুলের অপরাধ জীবন এবং খুনের পর বাংলাদেশ পালিয়ে যাওয়া-সহ একাধিক বিষয় মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও গুলশনের ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বী রমেশ তুরানিকে সমস্ত অভিযোগ থেকে মুক্ত করেছে আদালত। গুলশনকে খুনের ষড়যন্ত্রে তাঁরও জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। অন্যদিকে দাউদ মার্চেন্টের সঙ্গী আব্দুল রশিদকেও দোষী সাব্যস্ত করে আজীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। ট্রায়াল কোর্টে তার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ পায়নি। 

বিচারপতি অমিত বরকার ও সাধনা জাদবের বেঞ্চ আজ এই রায় দেয়। আব্দুল রউফ মার্চেন্টকে অবিলম্বে ট্রায়াল কোর্ট বা ডিএন নগর পুলিশ স্টেশনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে। সঙ্গে, তাঁর পাসপোর্টও পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে জামিন-অযোগ্য অপরাধের রায় দান করা হয়েছে। 

আগস্ট ১২, ১৯৯৭ সালে গুলশান কুমার মন্দির থেকে বাড়ি ফিরছিলেন, তাঁর ওপর গুলি চলে। গুলশানের মৃত্যুতে হতবাক হয়েছিল সকলে। কেউ ভাবতে পারেনি, প্রকাশ্যে এত বড় ব্যক্তিত্বকে খুন করা হতে পারে। তদন্তে জানা যায়, সুরকার জুটি নাদিম-শ্রবণের নাদিম দাউদ ইব্রাহিমের দলের সাহায্যে গুলশনকে খুন করিয়েছিলেন। ঘটনার পরেই লন্ডনে পালিয়ে যান নাদিম। ব্রিটেন থেকে নাদিমকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা করেছিল ভারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লন্ডন হাইকোর্ট নাদিমের পক্ষে রায় দেয়। তদন্তে উঠে আসে, দাউদের দলের প্রাক্তন ‘শার্পশুটার’ দাউদ মার্চেন্ট ও তার সঙ্গী আবদুল রশিদ দাউদই গুলশন কুমারকে গুলি করেছিল। ২০০২ সালে ভারতের আদালতে ‘গুলশন হত্যা মামলায়’ দোষী সাব্যস্ত হয় দাউদ মার্চেন্ট।

২০০৯ সালে মার্চেন্টকে ১৪ দিনের জন্য শর্তাধীন মুক্তি বম্বে হাইকোর্ট। শর্ত মেনে প্রথম সপ্তাহে মুম্বইয়ের মুম্বরা থানায় হাজিরা দেয় মার্চেন্ট। তারপর সে পালিয়ে যায় বাংলাদেশে। বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবেড়িয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে সে দেশের পুলিশ। তার বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে বাংলাদেশে ঢোকার অভিযোগ আনা হয়। তার কাছ থেকে জাল ভারতীয় টাকাও পাওয়া গিয়েছিল। সেই মামলায় বাংলাদেশের জেলে সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে ২০১৬ সালে তাঁকে ভারতে পাঠানো হয়।

বন্ধ করুন