বাড়ি > বায়োস্কোপ > সুশান্তের মৃত্যু : সিবিআইয়ের প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন মুম্বই পুলিশের দুই ডিসিপি
সিবিআইয়ের জেরার মুখে মুম্বই পুলিশ? 
সিবিআইয়ের জেরার মুখে মুম্বই পুলিশ? 

সুশান্তের মৃত্যু : সিবিআইয়ের প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন মুম্বই পুলিশের দুই ডিসিপি

  • সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তে শুরু থেকেই প্রশ্নের মুখে মুম্বই পুলিশের ভূমিকা। এবার প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন মুম্বই পুলিশের দুই ডেপুটি কমিশনার। 

সুপ্রিম কোর্টের সবুজ সংকতের পর সুশান্তের মৃত্যুর সিবিআই তদন্তে আর কোনওরকম বাধা নেই। তত্পরতার সঙ্গে এই হাইপ্রোফাইল কেসের জট খুলতে নেমে পড়েছে সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দল। সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তে রয়েছে সিবিআইয়ের অ্যান্টি কোরাপশন ইউনিট-৬। সূত্রের খবর সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তে মুম্বই পুলিশের ২ ডিসিপিকে জেরা করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শুরু থেকেই এই মামলায় প্রশ্নের মুখে থেকেছে মুম্বই পুলিশের ভূমিকা। 

সুশান্তের মামলার তদন্তে যে গাফিলতির অভিযোগ উঠছে সেই বিষয় নিয়েই প্রশ্ন করা হতে পারে মুম্বই পুলিশের দুই ডেপুটি কমিশনারকে খবর টাইমস নাও সূত্রে। 

‘সুশান্তের জীবন সংকটে’-চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মুম্বই পুলিশের জোন-৯ এর ততকালীন ডিসিপিকে আগাম সচেতন করেছিল সুশান্তের পরিবার। সুশান্তের জামাইবাবু, হরিয়ানা পুলিশের আইজি ওপিসিং নিজে এই বার্তা পাঠিয়েছিলেন ডিসিপি পরমজিত সিং দহিয়াকে। তবে অভিযোগ পাওয়া সত্ত্বেও কোনওরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।সুশান্তের মৃত্যুর পর এই খবর প্রকাশ্য এলে মুম্বই পুলিশের তরফে সাফাই দেওয়া হয় ‘পরিবারের তরফে কোনওরকম লিখিত অভিযোগ করা হয়নি’।

এখানেই শেষ নয়, অভিযোগ সুশান্তের মৃত্যুর পরেও এই বিষয়টি নিয়ে মুম্বই পুলিশের অপর কর্তাদের এই নিয়ে কোনও তথ্য দেননি ডিসিপি দাহিয়া। উল্লেখ্য সেই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে স্পষ্টতই রিয়া চক্রবর্তীর দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল সুশান্তের পরিবার। অন্যদিকে মুম্বই পুলিশের জোন-৯ এর বর্তমান ডিসিপি অভিষেক ত্রিমুখেও শুরু থেকেই রয়েছেন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। সংবাদমাধ্যমে রিয়া চক্রবর্তীর যে কল ডিটেলস রেকর্ড ফাঁস হয়েছে তাতে দেখা গিয়েছে সুশান্তের মৃত্যুর পর পাঁচবার এই মামলার মূল অভিযুক্তের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ হয়েছে তাঁর। কী কারণে এই ফোন কলস কিংবা মেসেজের আদান-প্রদান?  প্রশ্ন করতে পারে সিবিআইয়ের দল। 

সুশান্তের মৃত্যুর সিবিআই তদন্তে সুপ্রিম ছাড়ের পর আনুষ্ঠানিকভাবে সিবিআইয়ের তরফে বিশেষ কিছুই জানানো হয়নি এই হাই-প্রোফাইল মামলা সম্পর্কে। শুধু বলা হয় ‘নির্দিষ্ট সময়ে আমাদের টিম মুম্বই পৌঁছাবে। তবে এই মামলার তদন্তের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে আমরা কিছু বলতে পারব না’। 

গত ১৪ জুন বান্দ্রার কার্টার রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় সুশান্তের দেহ। সুশান্তের মৃত্যুর দু মাস পরেও এই মামলায় কোনও এফআইআর দায়ের করেনি মুম্বই পুলিশ। অন্যদিকে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টতই জানিয়ে দেয় বিহার পুলিশের কাছে দায়ের সুশান্তের বাবার এফআইআর সম্পূর্ন বৈধ এবং বিহার সরকারের এই মামলার সিবিআই সুপারিশ জানানোর আইন সম্মত অধিকার রয়েছে। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পুনরায় আপিল করতে পারবে না মহারাষ্ট্র সরকার, তাও জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

বন্ধ করুন