প্রথমবার রূপোলি পর্দায় একসঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করবেন অর্পিতা-স্বস্তিকা
প্রথমবার রূপোলি পর্দায় একসঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করবেন অর্পিতা-স্বস্তিকা

গুলদস্তার ফার্স্টলুকে অচেনা স্বস্তিকা, গৃহবধূ অর্পিতা জাপটে ধরে আছেন স্বামীর হাত

  • অর্জুন দত্তর গুলদস্তাতেই প্রথমবার একসঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করবেন স্বস্তিকা-অর্পিতা।
  • ডলি,শ্রীরূপা,রেণু-তিন নারীর জীবনের ক্রাইসিস, তাঁদের লড়াইয়ের গল্প বলবে এই ছবি।

ঘোষণার পর থেকেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছে পরিচালক অর্জুন দত্তর ‘গুলদস্তা’। থাকবে নাই বা কেন? এই ছবিতেই প্রথমবার একসঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করে নিতে চলেছেন টলিগঞ্জের দুই দুঁদে অভিনেত্রী-স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় ও অর্পিতা চট্টোযপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন দেবযানী চট্টোপাধ্যায়। পুরোদস্তুর নারীকেন্দ্রিক ছবি গুলদস্তা। তিননারী ডলি,শ্রীরূপা এবং রেণুর জীবনের উঠাপড়া, সম্পর্কের টানাপোড়েনের গল্প বলবে এই ছবি। শুক্রবার প্রকাশ্যে এল ছবির চরিত্রগুলোর ফার্স্ট লুক।

ছবির ফার্স্ট লুকে রীতিমতো চমকে দিলেন স্বস্তিকা। টলিগঞ্জের এই গ্ল্যামারাস নায়িকার দেখা মিলল সাদা-মাটা সিল্কের শাড়িতে,মুখে বয়সের ছাপ স্পষ্ট তবুও ঠোঁটের কোণে হাসিতে উজ্বল ডলি। অন্যদিকে সাধারণ গৃহবধূর লুকে পাওয়া গেল অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়কে। লাল শাড়ি, কপালে ছোট্ট লাল টিপ- স্বামীর হাত জাপটে ধরে রয়েছেন অর্পিতা। গুলদস্তায় স্বামীর ভূমিকায় রয়েছেন ইশান মজুমদার।

ডলি,শ্রীরূপা,রেণুর জগত আলাদা,ক্রাইসিস আলাদা তবে তাঁদের গল্প এসে মেশে একটা জায়গায়। যেমন একটা গুলদস্তা’র শোভা বাড়ায় নানা রঙের,নানা রকমের ফুল-এমনই এই তিন ভিন্ন জগতের মানুষের গল্প দিয়েই গুলদস্তা সাজিয়েছেন অব্যক্ত খ্যাত পরিচালক অর্জুন দত্ত।

এছাড়াও এই ছবিতে দেখা মিলবে টলিগঞ্জের ইয়ং ব্রিগেডের দুই পরিচিত মুখ- অনুভব কাঞ্জিলাল ও অনুরাধা মুখোপাধ্যায়ের। দেবযানী চট্টোপাধ্যায় অর্থাত্ রেণুর ছেলের চরিত্রে অভিনয় করছেন অনুভব, তাঁর স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন অভিজিত্ গুহ।

গুলদস্তায় দেবযানী চট্টটোপাধ্যায়ের ছেলের চরিত্রে অনুভব ও স্বামীর ভূমিকায় অভিজিত্ গুহ। গুরুত্বপূর্ন চরিত্রে রয়েছেন অনুরাধা।
গুলদস্তায় দেবযানী চট্টটোপাধ্যায়ের ছেলের চরিত্রে অনুভব ও স্বামীর ভূমিকায় অভিজিত্ গুহ। গুরুত্বপূর্ন চরিত্রে রয়েছেন অনুরাধা।


স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রথমবার কাজ করতে গিয়ে রীতিমতো নার্ভাস ছিলেন অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়। অভিনেত্রীর কথায়, ‘একজন ভালো অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজ করাটা সবসময়ই বড় পাওনা। পাশে ভালো অভিনেতা থাকলে নিজের আরও ভালো কাজ করার তাগিদ জন্মায়-স্ক্রিনে ব্যালান্স বজায় করার জন্য। সেই জায়গা থেকে খুব এক্সাইটেড ছিলাম যে আমাকে আরও ভালো করতে হবে। তবে স্বস্তিকার সঙ্গে কাজ মানে এক্সাইটমেন্টের পাশাপাশি নার্ভাসনেসটাও থাকবে’।

গত বছর সেপ্টেম্বর মাসেই শেষ হয়েছে ছবির শ্যুটিং পর্ব। আপতত চলছে গুলদস্তার পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আসন্ন গ্রীষ্মেই মুক্তি পাবে এই ছবি।


বন্ধ করুন