কনিকা কাপুর (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
কনিকা কাপুর (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

Covid-19 চিকিত্সায় প্লাজমা দানে আগ্রহী করোনা জয়ী কনিকা কাপুর

  • করোনাভাইরাস আক্রান্তদের চিকিত্সার জন্য রক্তদানের আগ্রহ প্রকাশ করলেন কনিকা। সোমবারই বেবি ডল গায়িকা এই ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন।

সোমবারই গাফিলতির মামলায় করোনা যুদ্ধে জয়ী কনিকা কাপুরকে নোটিস ধরিয়েছে লখনউ পুলিশ়।আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সরোজিনীনগর থানায় এসে নিজের বয়ান রেকর্ড করাতে হবে শিল্পীকে। এর মাঝেই করোনা আক্রান্তদের চিকিত্সার জন্য রক্তদানের আগ্রহ প্রকাশ করলেন কনিকা। সোমবারই বেবি ডল গায়িকা এই ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন।

ইন্ডিয়া টুডের খবর অনুসারে, লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল চিকিত্সক কনিকার রক্ত পরীক্ষা করবে এটা দেখার জন্য যে তাঁর প্লাজমা করোনা আক্রান্তদের চিকিত্সার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে কিনা। মনে করা হয়, করোনা জয়ী মানুষের প্লাজমায় অ্যাটিবডি থাকে। এর আগে অভিনেত্রী জোয়া মোরানি, প্রযোজক করিম মোরানি এবং তাঁর ছোট মেয়ে শাজাও প্লাজমা দানের কথা জানিয়েছিলেন। নমুনা পরীক্ষার জন্য চিকিত্সকদের একটি দল শীঘ্রই কনিকার লখনউ স্থিত বাসভবনে যাবে। পরীক্ষা ফল পজিটিভ এলে এই মাসেই প্লাজমা দান করবেন গায়িকা।

গত ২০শে মার্চ দেশের প্রথম হাইপ্রোফাইল করোনা আক্রান্ত হিসাবে কনিকা কাপুরের নাম সামনে আসে। একটানা ১৬ দিন করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করবার পর ৬ এপ্রিল সম্পূর্ন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন কনিকা। রবিবার নিজের করোনা জয়ের অভিজ্ঞতা এবং তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ খন্ডন করে খোলা চিঠি লিখলেন কনিকা কাপুর। লেখেন, 'গোটা বিষয় সম্পর্কে অনেকরকমের তথ্য সাংবাদ মাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সামনে এসেছে কিন্তু এতদিন তিনি বেশকিছু কারণে চুপ করে ছিলেন। তিলি বলেন, আমি দোষ করেছি বলে চুপ ছিলাম তা নয়,আমি জনতাম সত্যিটা সামনে আসবেই এবং মানুষ নিজেরাই উপলব্ধি করবে(সত্যিটা)। আমি আমার পরিবার, বন্ধু এবং অনুরাগীদের ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাকে এই সময়টা দেওয়ার জন্য। আমি এখন লখনউতে আমার বাড়িতে রয়েছি। ব্রিটিশ যুক্তরাজ্য, মুম্বই এবং লখনউতে আমি যে সকল মানুষের সংস্পর্শে এসেছি তাঁদের কারুর দেহেই করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। সবার নমুনার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে'।

View this post on Instagram

Stay Home Stay Safe 🙏🏼

A post shared by Kanika Kapoor (@kanik4kapoor) on


তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ লন্ডন থেকে ফিরে প্রয়োজনীয় সর্তকতামূলক ব্যবস্থা অবলম্বন করেননি কনিকা। আইসোলেশনে না থেকে ঘুরে বেরিয়েছেন এক শহর থেকে অন্য শহর। লখনউ পুলিশ, মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের নির্দেশে আইপিসির ১৮৮,২৬৯ এবং ২৭০ ধারায় কনিকার বিরুদ্ধে তিনটি পৃথক থানায় এফআইআর দায়ের হয় ২০শে মার্চ। সেই এফআইআরের প্রেক্ষিতেই নোটিস ধরানো হয়েছে কনিকাকে। পুলিশ সূত্রে খবর, কনিকা নোটিস গ্রহণ করে জানিয়েছেন নিজের আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করে তবেই বয়ান রেকর্ড করবেন তিনি।


বন্ধ করুন